লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মেঘনা নদীতে অবৈধ জালবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা। এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তাসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। অভিযানে থাকা স্পিডবোট লক্ষ্য করে ইট-পাথর নিক্ষেপ করে হামলাকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং হামলাকারীদের আটক করতে চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) মেঘনা নদীতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রয়েছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, হামলাকারীদের ছোড়া ইটের টুকরা তাঁর গায়ে লাগলে চশমা ভেঙে যায়। এতে তিনি সামান্য আহত হন।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজ হাসনাইন জানান, হামলাকারীরা সংঘবদ্ধভাবে মুহূর্তের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি নৌকা একত্র করে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নৌকাগুলোতে আনুমানিক ১৩০ থেকে ১৪০ জন লোক ছিল। তাদের অনেকের হাতে অস্ত্রও ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে কোস্ট গার্ডের চারটি স্পিডবোট অভিযানে যুক্ত হলেও হামলাকারীদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
অভিযান চলাকালে নদী থেকে বেশ কিছু অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য চার লাখ টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া জালের মধ্যে আটকে থাকা কিছু জাটকা মাছ উদ্ধার করে বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ, জাটকা সংরক্ষণ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় পরিচালিত অভিযানে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর এমন হামলার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নদীতে সংঘবদ্ধভাবে অবৈধ মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িতদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর অভিযান প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনায় প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত কোনো মামলা, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের কিংবা পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের তথ্য পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মেঘনা নদীতে অবৈধ জালবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা। এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তাসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। অভিযানে থাকা স্পিডবোট লক্ষ্য করে ইট-পাথর নিক্ষেপ করে হামলাকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং হামলাকারীদের আটক করতে চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) মেঘনা নদীতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রয়েছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, হামলাকারীদের ছোড়া ইটের টুকরা তাঁর গায়ে লাগলে চশমা ভেঙে যায়। এতে তিনি সামান্য আহত হন।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজ হাসনাইন জানান, হামলাকারীরা সংঘবদ্ধভাবে মুহূর্তের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি নৌকা একত্র করে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নৌকাগুলোতে আনুমানিক ১৩০ থেকে ১৪০ জন লোক ছিল। তাদের অনেকের হাতে অস্ত্রও ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে কোস্ট গার্ডের চারটি স্পিডবোট অভিযানে যুক্ত হলেও হামলাকারীদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
অভিযান চলাকালে নদী থেকে বেশ কিছু অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য চার লাখ টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া জালের মধ্যে আটকে থাকা কিছু জাটকা মাছ উদ্ধার করে বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ, জাটকা সংরক্ষণ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় পরিচালিত অভিযানে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর এমন হামলার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নদীতে সংঘবদ্ধভাবে অবৈধ মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িতদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর অভিযান প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনায় প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত কোনো মামলা, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের কিংবা পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের তথ্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন