নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে সরকারি ভাতা উত্তোলনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীর উপসহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে এই এজাহারগুলো দায়ের করেন।
মঙ্গলবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেন, শুভপুর গ্রামের মুহম্মদ আবু তাহের এবং উত্তর অর্জুনতলা গ্রামের মো. নূর নবী চৌধুরী। মো. সামছুল হক নামের এক ব্যক্তির করা অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত বিষয়টি প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলে দুদক এই অনিয়মের সত্যতা পায়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মহান মুক্তিযুদ্ধে কোনো ধরনের অংশগ্রহণ না করা সত্ত্বেও জালিয়াতির মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ সংগ্রহ করেন। এরপর তাঁরা নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা সহ সরকারের বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করে আসছেন। মুক্তিবার্তা কিংবা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লাল বইয়ে অভিযুক্তদের নাম না থাকায় এবং তাঁরা স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
জানা যায়, সেনবাগ উপজেলার মো: সামছুল হক নামে এক ব্যক্তি ২০২৪ সালে স্পেশাল জজ আদালতে ফৌজদারী আদালত অভিযোগকারী অভিযোগটি আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-কে অনুসন্ধানের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
পরে দুদক প্রাথমিক অনুসন্ধানের সময় তোফাজ্জল হোসেন,মুহম্মদ আবু তাহের এবং মোহাম্মদ নূর নবী চৌধুরী এর নাম বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কর্তৃক প্রকাশিত সাপ্তাহিক মুক্তিবার্তা কিংবা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংরক্ষিত লাল বইয়ের কোথাও পাওয়া যায়নি। এমনকি অনুসন্ধানকালে মুক্তিযুদ্ধকালীন কোনপ্রকার ট্রেইনিং বা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের স্ব-পক্ষে কোন প্রমাণক তারা উপস্থাপন করতে পারেননি।
এ দিকে তারা মুক্তিযুদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্তি হয়ে মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে সরকারি ভাতা উত্তোলনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীর উপসহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে এই এজাহারগুলো দায়ের করেন।
মঙ্গলবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেন, শুভপুর গ্রামের মুহম্মদ আবু তাহের এবং উত্তর অর্জুনতলা গ্রামের মো. নূর নবী চৌধুরী। মো. সামছুল হক নামের এক ব্যক্তির করা অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত বিষয়টি প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলে দুদক এই অনিয়মের সত্যতা পায়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মহান মুক্তিযুদ্ধে কোনো ধরনের অংশগ্রহণ না করা সত্ত্বেও জালিয়াতির মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ সংগ্রহ করেন। এরপর তাঁরা নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা সহ সরকারের বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করে আসছেন। মুক্তিবার্তা কিংবা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লাল বইয়ে অভিযুক্তদের নাম না থাকায় এবং তাঁরা স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
জানা যায়, সেনবাগ উপজেলার মো: সামছুল হক নামে এক ব্যক্তি ২০২৪ সালে স্পেশাল জজ আদালতে ফৌজদারী আদালত অভিযোগকারী অভিযোগটি আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-কে অনুসন্ধানের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
পরে দুদক প্রাথমিক অনুসন্ধানের সময় তোফাজ্জল হোসেন,মুহম্মদ আবু তাহের এবং মোহাম্মদ নূর নবী চৌধুরী এর নাম বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কর্তৃক প্রকাশিত সাপ্তাহিক মুক্তিবার্তা কিংবা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংরক্ষিত লাল বইয়ের কোথাও পাওয়া যায়নি। এমনকি অনুসন্ধানকালে মুক্তিযুদ্ধকালীন কোনপ্রকার ট্রেইনিং বা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের স্ব-পক্ষে কোন প্রমাণক তারা উপস্থাপন করতে পারেননি।
এ দিকে তারা মুক্তিযুদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্তি হয়ে মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন