নোয়াখালীতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই ও আলোচিত বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তার স্ত্রী এবং তাদের ছেলের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তিনটি পৃথক নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে। দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে এই মামলাগুলো দায়ের করেন।
দুদক সূত্র জানা যায়, মামলায় সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিনি এই সম্পদ অর্জন করেন। এর মধ্যে তার সম্পদ পাওয়া গেছে ২ কোটি ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার ৭০৪ টাকা এবং বৈধ আয় পাওয়া গেছে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৮৮ হাজার ১০৪ টাকা।
তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি একজন গৃহিণী হওয়া সত্ত্বেও স্বামীর সহায়তায় এই সম্পদ অর্জন করেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়। তাই এই মামলায় আবদুল কাদের মির্জাকেও আসামি করা হয়েছে।
এ দিকে আবদুল কাদের মীর্জার ছেলে মির্জা মাসরুর কাদের তাশিক ওরফে তাশিক মির্জার বিরুদ্ধে ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪২৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি পেশায় একজন ছাত্র হলেও পিতার সহায়তায় এই সম্পদ অর্জন করেন। ফলে এই মামলায়ও পিতা আবদুল কাদের মির্জাকে সহযোগিতাকারী হিসেবে আসামি করা হয়েছে।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর এই মামলাগুলো রুজু করা হয়। তদন্তের সময় ঘটনার সাথে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন এর উপ- সহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
নোয়াখালীতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই ও আলোচিত বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তার স্ত্রী এবং তাদের ছেলের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তিনটি পৃথক নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে। দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে এই মামলাগুলো দায়ের করেন।
দুদক সূত্র জানা যায়, মামলায় সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিনি এই সম্পদ অর্জন করেন। এর মধ্যে তার সম্পদ পাওয়া গেছে ২ কোটি ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার ৭০৪ টাকা এবং বৈধ আয় পাওয়া গেছে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৮৮ হাজার ১০৪ টাকা।
তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি একজন গৃহিণী হওয়া সত্ত্বেও স্বামীর সহায়তায় এই সম্পদ অর্জন করেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়। তাই এই মামলায় আবদুল কাদের মির্জাকেও আসামি করা হয়েছে।
এ দিকে আবদুল কাদের মীর্জার ছেলে মির্জা মাসরুর কাদের তাশিক ওরফে তাশিক মির্জার বিরুদ্ধে ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪২৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি পেশায় একজন ছাত্র হলেও পিতার সহায়তায় এই সম্পদ অর্জন করেন। ফলে এই মামলায়ও পিতা আবদুল কাদের মির্জাকে সহযোগিতাকারী হিসেবে আসামি করা হয়েছে।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর এই মামলাগুলো রুজু করা হয়। তদন্তের সময় ঘটনার সাথে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন এর উপ- সহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী।

আপনার মতামত লিখুন