জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের নিজস্ব উদ্যোগে ছিন্নমূল পথশিশু ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাদ জুমা রাজধানীর ভিক্টোরিয়া পার্ক ও সদরঘাট এলাকায় এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচিতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম আবর্তনের স্বরূপ সরকার কাব্য (ইতিহাস বিভাগ), রেহমান মুস্তাফিজ (মার্কেটিং বিভাগ), সাইন আহমেদ পবন, আবু বক্কর সিদ্দিকী ইমন (নৃবিজ্ঞান বিভাগ), শাহরিয়ার হোসেন মুনেম (উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ), আফিফ রহমান স্মরণ (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ), তানসেন রৌবায়েত সরকার (অর্থনীতি বিভাগ) এবং আল শাহরিয়ার (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ)।
শিক্ষার্থীরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ছোট ছোট উদ্যোগের মাধ্যমেও মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। এ ধরনের কার্যক্রম সমাজের অন্যদেরও মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে বলে তাঁরা মনে করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তাঁরা। তাঁদের মতে, সম্মিলিত উদ্যোগ ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সমাজে সহমর্মিতার পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের নিজস্ব উদ্যোগে ছিন্নমূল পথশিশু ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাদ জুমা রাজধানীর ভিক্টোরিয়া পার্ক ও সদরঘাট এলাকায় এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচিতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম আবর্তনের স্বরূপ সরকার কাব্য (ইতিহাস বিভাগ), রেহমান মুস্তাফিজ (মার্কেটিং বিভাগ), সাইন আহমেদ পবন, আবু বক্কর সিদ্দিকী ইমন (নৃবিজ্ঞান বিভাগ), শাহরিয়ার হোসেন মুনেম (উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ), আফিফ রহমান স্মরণ (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ), তানসেন রৌবায়েত সরকার (অর্থনীতি বিভাগ) এবং আল শাহরিয়ার (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ)।
শিক্ষার্থীরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ছোট ছোট উদ্যোগের মাধ্যমেও মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। এ ধরনের কার্যক্রম সমাজের অন্যদেরও মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে বলে তাঁরা মনে করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তাঁরা। তাঁদের মতে, সম্মিলিত উদ্যোগ ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সমাজে সহমর্মিতার পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন