ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ বলেন, আবরার ফাহাদ ইসলামপন্থী একজন যুবক। এজন্যই আবরার ফাহাদকে নির্যাতিত হতে হয়েছে। আমাদের জন্য এটা ছিল বড় দুঃখের যে, একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থী দেশের পক্ষে কথা বলার কারণেও আবরার ফাহাদকে জীবন দিতে হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ছাত্রশিবির উদ্যোগে আয়োজিত আন্তঃবিভাগ শর্টপিস ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ উদ্ভোদন কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বড় লড়াকু সৈনিক শহীদ আবরার ফাহাদ। তিনি কুষ্টিয়ারই সন্তান। আবরার ফাহাদের একটাই অপরাধ ছিল যে, আবরার ফাহাদ ফেসবুকে সে ভালো ভালো স্ট্যাটাস দিত। স্ট্যাটাসগুলো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা কাজ করত, তাদের বিরুদ্ধে সে লিখত। আজ আমাদের বিরুদ্ধে অনেক ধরনের ষড়যন্ত্র হয়, চক্রান্ত হয়; কিন্তু আমরা এটা বিশ্বাস করি, আমরা তরুণরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, আমরা যদি দেশের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকি আমাদেরকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।
সিবগাতুল্লাহ আরো বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অনেক ধরনের ষড়যন্ত্র চলতেছে। এর মধ্যে অন্যতম একটা ষড়যন্ত্র হচ্ছে তরুণদেরকে নষ্ট করে দেওয়ার একটা ষড়যন্ত্র। আমরা সবাই আফিমের যুদ্ধের কথা শুনেছিলাম। আফিমের যুদ্ধে ব্রিটেন চীনের যুবসমাজকে নষ্ট করে দিয়েছিল। এবং আমরা বাংলাদেশে একই প্যাটার্ন দেখতে পাচ্ছি। আমাদের সীমান্তগুলো দিয়ে মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এবং মাদকের ভয়াল থাবায় আমাদের তরুণদের একটা বড় অংশ, তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। অনেক তরুণ বুঝে না বুঝে সে পথে পা বাড়ায়। তো এই জায়গা থেকে আমাদের খেলাধুলাসহ অন্যান্য ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটিজ, ক্রিয়েটিভ অ্যাক্টিভিটিস অ্যাক্টিভিটিসগুলো খুবই জরুরি।
এসময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি, অফিস সম্পাদক আব্দুস সালামসহ বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ বলেন, আবরার ফাহাদ ইসলামপন্থী একজন যুবক। এজন্যই আবরার ফাহাদকে নির্যাতিত হতে হয়েছে। আমাদের জন্য এটা ছিল বড় দুঃখের যে, একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থী দেশের পক্ষে কথা বলার কারণেও আবরার ফাহাদকে জীবন দিতে হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ছাত্রশিবির উদ্যোগে আয়োজিত আন্তঃবিভাগ শর্টপিস ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ উদ্ভোদন কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বড় লড়াকু সৈনিক শহীদ আবরার ফাহাদ। তিনি কুষ্টিয়ারই সন্তান। আবরার ফাহাদের একটাই অপরাধ ছিল যে, আবরার ফাহাদ ফেসবুকে সে ভালো ভালো স্ট্যাটাস দিত। স্ট্যাটাসগুলো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা কাজ করত, তাদের বিরুদ্ধে সে লিখত। আজ আমাদের বিরুদ্ধে অনেক ধরনের ষড়যন্ত্র হয়, চক্রান্ত হয়; কিন্তু আমরা এটা বিশ্বাস করি, আমরা তরুণরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, আমরা যদি দেশের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকি আমাদেরকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।
সিবগাতুল্লাহ আরো বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অনেক ধরনের ষড়যন্ত্র চলতেছে। এর মধ্যে অন্যতম একটা ষড়যন্ত্র হচ্ছে তরুণদেরকে নষ্ট করে দেওয়ার একটা ষড়যন্ত্র। আমরা সবাই আফিমের যুদ্ধের কথা শুনেছিলাম। আফিমের যুদ্ধে ব্রিটেন চীনের যুবসমাজকে নষ্ট করে দিয়েছিল। এবং আমরা বাংলাদেশে একই প্যাটার্ন দেখতে পাচ্ছি। আমাদের সীমান্তগুলো দিয়ে মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এবং মাদকের ভয়াল থাবায় আমাদের তরুণদের একটা বড় অংশ, তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। অনেক তরুণ বুঝে না বুঝে সে পথে পা বাড়ায়। তো এই জায়গা থেকে আমাদের খেলাধুলাসহ অন্যান্য ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটিজ, ক্রিয়েটিভ অ্যাক্টিভিটিস অ্যাক্টিভিটিসগুলো খুবই জরুরি।
এসময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি, অফিস সম্পাদক আব্দুস সালামসহ বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন