যশোরের শার্শা উপজেলার উল্লাসী ইউনিয়নে চাঁদা দাবির অভিযোগে সেলিম হোসেন (২৮) নামে এক যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার উলাশী ইউনিয়নের মাটিপুকুরিয়া গ্রামের কামাড় বাড়ি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আটক সেলিম মাটিপুকুরিয়া গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দীনের ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি স্থানীয় নেতা আরমান হোসেন ডাবলুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেলিমের সঙ্গে শফিক হোসেন (৪০) ও রাব্বি হোসেন (২৫) নামে আরও দুজন কামাড় বাড়ি মোড়ে যান। সেখানে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করা হলে স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা সেলিমকে আটক করে মারধর করেন। এ সময় শফিক ও রাব্বি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা সেলিমকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সেলিমকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক শফিক ও রাব্বিকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলার উল্লাসী ইউনিয়নে চাঁদা দাবির অভিযোগে সেলিম হোসেন (২৮) নামে এক যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার উলাশী ইউনিয়নের মাটিপুকুরিয়া গ্রামের কামাড় বাড়ি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আটক সেলিম মাটিপুকুরিয়া গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দীনের ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি স্থানীয় নেতা আরমান হোসেন ডাবলুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেলিমের সঙ্গে শফিক হোসেন (৪০) ও রাব্বি হোসেন (২৫) নামে আরও দুজন কামাড় বাড়ি মোড়ে যান। সেখানে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করা হলে স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা সেলিমকে আটক করে মারধর করেন। এ সময় শফিক ও রাব্বি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা সেলিমকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সেলিমকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক শফিক ও রাব্বিকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন