বাগেরহাটে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ক্লোন করে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম নিবন্ধনের অভিযোগে একটি চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রাহকের বায়োমেট্রিক তথ্য জালিয়াতির মাধ্যমে সিম উত্তোলন করে সেগুলো আর্থিক অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করতেন তাঁরা।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে বাগেরহাট সদর উপজেলার কার্তিকদিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, সদর উপজেলার কার্তিকদিয়া গ্রামের মো. মামুন আলী খাঁ (৩০), মো. জিহাদ বিশ্বাস (২৩) ও মো. লিটু বিশ্বাস বাবু (২২)।
অভিযানকালে তাঁদের কাছ থেকে একটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার মেশিন, চারটি ইউএসবি পোর্ট, গ্রামীণফোনের ২১টি সিম কার্ড, ফিঙ্গারপ্রিন্টের বায়োমেট্রিক ছাপযুক্ত ১৪১টি রাবারের কিট, প্লাস্টিক পেপারে সংরক্ষিত বায়োমেট্রিক ছাপযুক্ত ছয়টি নমুনা, সিম নিবন্ধনে ব্যবহৃত কাগজের মার্কিং টেপ এবং তিনটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোঃ জামিরুল ইসলাম বলেন ,আটক ব্যক্তিরা স্মার্টফোনে স্মার্ট বিএল ও ককপিট অ্যাপস এবং উদ্ধার করা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ক্লোনের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির সিম নিবন্ধন করতেন। পরে এসব সিম আর্থিক অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করতেন।
তিনি বলেন, প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ক্লোন করে অবৈধভাবে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম উত্তোলন করে আসছিল। এসব সিম ব্যবহার করে আর্থিক অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, এর আগে সম্প্রতি বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে সিম রিপ্লেসমেন্ট করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বাগেরহাটে এ ধরনের আরও চক্র সক্রিয় থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
বাগেরহাটে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ক্লোন করে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম নিবন্ধনের অভিযোগে একটি চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রাহকের বায়োমেট্রিক তথ্য জালিয়াতির মাধ্যমে সিম উত্তোলন করে সেগুলো আর্থিক অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করতেন তাঁরা।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে বাগেরহাট সদর উপজেলার কার্তিকদিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, সদর উপজেলার কার্তিকদিয়া গ্রামের মো. মামুন আলী খাঁ (৩০), মো. জিহাদ বিশ্বাস (২৩) ও মো. লিটু বিশ্বাস বাবু (২২)।
অভিযানকালে তাঁদের কাছ থেকে একটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার মেশিন, চারটি ইউএসবি পোর্ট, গ্রামীণফোনের ২১টি সিম কার্ড, ফিঙ্গারপ্রিন্টের বায়োমেট্রিক ছাপযুক্ত ১৪১টি রাবারের কিট, প্লাস্টিক পেপারে সংরক্ষিত বায়োমেট্রিক ছাপযুক্ত ছয়টি নমুনা, সিম নিবন্ধনে ব্যবহৃত কাগজের মার্কিং টেপ এবং তিনটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোঃ জামিরুল ইসলাম বলেন ,আটক ব্যক্তিরা স্মার্টফোনে স্মার্ট বিএল ও ককপিট অ্যাপস এবং উদ্ধার করা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ক্লোনের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির সিম নিবন্ধন করতেন। পরে এসব সিম আর্থিক অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করতেন।
তিনি বলেন, প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ক্লোন করে অবৈধভাবে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম উত্তোলন করে আসছিল। এসব সিম ব্যবহার করে আর্থিক অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, এর আগে সম্প্রতি বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে সিম রিপ্লেসমেন্ট করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বাগেরহাটে এ ধরনের আরও চক্র সক্রিয় থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন