নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের উদ্যোহে শহরের গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল সড়কে যানজট নিরসন ও জনস্বার্থে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার বিকালে জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহনেওয়াজ তানভীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এনএম নাসির উদ্দীন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আব্দুর রহমান।
জানা যায়, নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন সড়কটিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে তুলেছিলেন দখলদাররা। এতে করে সড়কের স্বাভাবিক পরিবেশ ও হাসপাতালের দিকে যাতায়াতে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি হচ্ছিল। যানজটের কারণে অনেক সময় জরুরি রোগী পরিবহনেও ব্যাঘাত ঘটছিল।
জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে ও সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় সড়কের দুই পাশের বিভিন্ন ধরনের প্রায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, আপনারা জানেন যে, রাস্তাটি অত্যন্ত ব্যস্ত রাস্তা। এখানে সরকারি হসপিটালসহ অনেকগুলো প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক রয়েছে। এই রাস্তায় প্রতিদিন শত শত রোগী এখানে চিকিৎসার্থে আসে। কিন্তু রাস্তার দুই পাশে যত্রতত্র অবৈধভাবে দোকান বসানোর কারণে আমরা লক্ষ্য করলাম যে ভ্যানের উপর সবজি বিক্রি সহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির যে প্রবণতা, এটার কারণে রাস্তাটি সংকুচিত হয়ে যায় এবং এখানে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, অন্যান্য যানবাহনসহ প্রচারী যান চলাচল করতে গিয়ে তাদের যাতায়াতে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
প্রায়শই অভিযোগ পাওয়া যায় যে, এইটুকু রাস্তা পার হতে অনেক দীর্ঘ সময় লাগে এতে অনেক গুরুতর রোগী অনেক সময় জটিল অবস্থার মধ্যে পড়ে। এ অবস্থায় আমরা ইতিপূর্বে তাদেরকে সতর্ক করেছি, মাইকিং করা হয়েছে যে, অবৈধ সড়ক দখল করে বা ফুটপাত দখল করে কোনো অবস্থাতেই দোকান বসানো যাবে না, কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
তাই আজকে আমরা আমাদের সম্মানিত পুলিশ প্রশাসন, আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ রয়েছেন ও সাংবাদিক ভাইদের নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করছি। সমানেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জেলা পুলিশ সুপার এনএম নাসির উদ্দীন জানান, জেলা প্রশাসন জনস্বার্থে এই উচ্ছেদ অভিযান করছে। হাসপাতাল সড়কের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এবং পথচারীদের হাঁটার জায়গা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ দখলদারমুক্ত রাখতে জনস্বার্থে এমন অভিযানের পাশে জেলা পুলিশ সব সময় সহযোগিতা করবে।
উচ্ছেদ অভিযানে জেলা প্রশাসন, নোয়াখালী পৌরসভা ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের উদ্যোহে শহরের গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল সড়কে যানজট নিরসন ও জনস্বার্থে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার বিকালে জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহনেওয়াজ তানভীর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এনএম নাসির উদ্দীন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আব্দুর রহমান।
জানা যায়, নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন সড়কটিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে তুলেছিলেন দখলদাররা। এতে করে সড়কের স্বাভাবিক পরিবেশ ও হাসপাতালের দিকে যাতায়াতে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি হচ্ছিল। যানজটের কারণে অনেক সময় জরুরি রোগী পরিবহনেও ব্যাঘাত ঘটছিল।
জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে ও সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় সড়কের দুই পাশের বিভিন্ন ধরনের প্রায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, আপনারা জানেন যে, রাস্তাটি অত্যন্ত ব্যস্ত রাস্তা। এখানে সরকারি হসপিটালসহ অনেকগুলো প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক রয়েছে। এই রাস্তায় প্রতিদিন শত শত রোগী এখানে চিকিৎসার্থে আসে। কিন্তু রাস্তার দুই পাশে যত্রতত্র অবৈধভাবে দোকান বসানোর কারণে আমরা লক্ষ্য করলাম যে ভ্যানের উপর সবজি বিক্রি সহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির যে প্রবণতা, এটার কারণে রাস্তাটি সংকুচিত হয়ে যায় এবং এখানে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, অন্যান্য যানবাহনসহ প্রচারী যান চলাচল করতে গিয়ে তাদের যাতায়াতে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
প্রায়শই অভিযোগ পাওয়া যায় যে, এইটুকু রাস্তা পার হতে অনেক দীর্ঘ সময় লাগে এতে অনেক গুরুতর রোগী অনেক সময় জটিল অবস্থার মধ্যে পড়ে। এ অবস্থায় আমরা ইতিপূর্বে তাদেরকে সতর্ক করেছি, মাইকিং করা হয়েছে যে, অবৈধ সড়ক দখল করে বা ফুটপাত দখল করে কোনো অবস্থাতেই দোকান বসানো যাবে না, কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
তাই আজকে আমরা আমাদের সম্মানিত পুলিশ প্রশাসন, আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ রয়েছেন ও সাংবাদিক ভাইদের নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করছি। সমানেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জেলা পুলিশ সুপার এনএম নাসির উদ্দীন জানান, জেলা প্রশাসন জনস্বার্থে এই উচ্ছেদ অভিযান করছে। হাসপাতাল সড়কের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এবং পথচারীদের হাঁটার জায়গা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ দখলদারমুক্ত রাখতে জনস্বার্থে এমন অভিযানের পাশে জেলা পুলিশ সব সময় সহযোগিতা করবে।
উচ্ছেদ অভিযানে জেলা প্রশাসন, নোয়াখালী পৌরসভা ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন