কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পোস্টারিংয়ের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ ও দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা, নিপীড়ন ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের মতো প্রকাশ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের কার্যক্রম সংঘটিত হওয়া, প্রশাসনের নজরদারি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি করে।
ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত করে পোস্টারিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা, প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং ক্যাম্পাসে একটি নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, 'ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের কোন কার্যক্রম করতে দেওয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবিলম্বে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে, এবং যে সকল শিক্ষকদের প্রশ্রয়ে তারা কার্যক্রম চালাচ্ছে তাদেরও চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।'
তিনি আরো বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের মতো প্রকাশ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের কার্যক্রম সংঘটিত হওয়া প্রশাসনের নজরদারি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্নের অবকাশ সৃষ্টি করে।'

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পোস্টারিংয়ের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ ও দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা, নিপীড়ন ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের মতো প্রকাশ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের কার্যক্রম সংঘটিত হওয়া, প্রশাসনের নজরদারি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি করে।
ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত করে পোস্টারিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা, প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং ক্যাম্পাসে একটি নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, 'ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের কোন কার্যক্রম করতে দেওয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবিলম্বে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে, এবং যে সকল শিক্ষকদের প্রশ্রয়ে তারা কার্যক্রম চালাচ্ছে তাদেরও চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।'
তিনি আরো বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের মতো প্রকাশ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের কার্যক্রম সংঘটিত হওয়া প্রশাসনের নজরদারি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্নের অবকাশ সৃষ্টি করে।'

আপনার মতামত লিখুন