বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা ভূমি অফিসে মিউটেশন (নামজারি) কার্যক্রমে অনিয়ম, হয়রানি ও ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সনজিত মজুমদার। তিনি অভিযোগ করেন, ঘুষ না দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তার পৈতৃক সম্পত্তির নামজারি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১২টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সনজিত মজুমদার এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পৈতৃক সম্পত্তির মিউটেশন ও নামজারির জন্য একাধিকবার আবেদন করলেও বিভিন্ন অজুহাতে তা খারিজ করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র দাখিল করেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি।
তিনি অভিযোগ করেন, মোংলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের অফিস সহকারী নাইমুল ইসলাম প্রতিটি মিউটেশন মামলার জন্য ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার দাবি, ওই টাকা না দিলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবেদনে স্বাক্ষর করবেন না বলে জানানো হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হোন বলেও অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রতিকার মেলে নি। ফলে তিনি ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেন।
সনজিত মজুমদার বলেন, সরকারি নির্ধারিত ফি থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা দুর্নীতির শামিল এবং এতে সাধারণ সেবা প্রত্যাশীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত তার পৈতৃক সম্পত্তির নামজারি সম্পন্ন করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে মোংলা সহকারী কমিশনার ভূমি নওশীনা আরিফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'তাদের ওয়ারিস কায়েম ঠিক না থাকার কারণে নামজারি করে নি। কাগজপত্র ঠিক করে আনলে নামজারি করে দিব। সেবা ভোগী হয়তো কাঙ্খিত সেবা না পাওয়ার কারণে বিক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগ করতে পারেন।'

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা ভূমি অফিসে মিউটেশন (নামজারি) কার্যক্রমে অনিয়ম, হয়রানি ও ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সনজিত মজুমদার। তিনি অভিযোগ করেন, ঘুষ না দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তার পৈতৃক সম্পত্তির নামজারি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১২টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সনজিত মজুমদার এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পৈতৃক সম্পত্তির মিউটেশন ও নামজারির জন্য একাধিকবার আবেদন করলেও বিভিন্ন অজুহাতে তা খারিজ করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র দাখিল করেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি।
তিনি অভিযোগ করেন, মোংলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের অফিস সহকারী নাইমুল ইসলাম প্রতিটি মিউটেশন মামলার জন্য ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার দাবি, ওই টাকা না দিলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবেদনে স্বাক্ষর করবেন না বলে জানানো হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হোন বলেও অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রতিকার মেলে নি। ফলে তিনি ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেন।
সনজিত মজুমদার বলেন, সরকারি নির্ধারিত ফি থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা দুর্নীতির শামিল এবং এতে সাধারণ সেবা প্রত্যাশীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত তার পৈতৃক সম্পত্তির নামজারি সম্পন্ন করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে মোংলা সহকারী কমিশনার ভূমি নওশীনা আরিফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'তাদের ওয়ারিস কায়েম ঠিক না থাকার কারণে নামজারি করে নি। কাগজপত্র ঠিক করে আনলে নামজারি করে দিব। সেবা ভোগী হয়তো কাঙ্খিত সেবা না পাওয়ার কারণে বিক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগ করতে পারেন।'

আপনার মতামত লিখুন