আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে ঘিরে ওঠা ফাইল অনুমোদনের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে সংশ্লিষ্ট ফাইল প্রকাশের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।
শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে দেওয়া ভিডিও বার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, “শাহে আলম বলেছেন, সচিবের স্বাক্ষর ছাড়াই একজন উপদেষ্টা ফাইল অনুমোদন করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কোন ফাইল?”
তিনি দাবি করেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় সচিব অনুপস্থিত থাকলে অতিরিক্ত সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ফাইল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে মন্ত্রী বা উপদেষ্টা চূড়ান্ত অনুমোদন দেন। এটি কোনোভাবেই বিধিবহির্ভূত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, “বিষয়টি আংশিকভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। এতে মনে হতে পারে, কোনো নিয়ম না মেনে গোপনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তব নয়।”
তিনি প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, “যদি কোনো নির্দিষ্ট ফাইল নিয়ে অভিযোগ থাকে, তাহলে সেটি জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করুন। আমি যে কোনো ফাইল নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে প্রস্তুত।”
এর আগে শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সচিবের সই ছাড়াই জোর করে একটি ফাইল অনুমোদন করেছিলেন।
তিনি জানান, পিরোজপুরের অবকাঠামো উন্নয়ন ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং সেই তদন্তের আওতায় উক্ত ফাইল অনুমোদনের বিষয়টিও আনা হবে।
মীর শাহে আলম দাবি করেন, “মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবের সই ছাড়া কোনো মন্ত্রী বা উপদেষ্টা ফাইল অনুমোদন দিতে পারেন না। এটি রুলস অব বিজনেস ও রুলস অব প্রসিডিউরের পরিপন্থি।”
তবে এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ইঙ্গিত দিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেছেন, পুরো বিষয়টি জনগণের সামনে পরিষ্কার করা হলে বাস্তবতা বেরিয়ে আসবে।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে ঘিরে ওঠা ফাইল অনুমোদনের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে সংশ্লিষ্ট ফাইল প্রকাশের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।
শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে দেওয়া ভিডিও বার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, “শাহে আলম বলেছেন, সচিবের স্বাক্ষর ছাড়াই একজন উপদেষ্টা ফাইল অনুমোদন করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কোন ফাইল?”
তিনি দাবি করেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় সচিব অনুপস্থিত থাকলে অতিরিক্ত সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ফাইল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে মন্ত্রী বা উপদেষ্টা চূড়ান্ত অনুমোদন দেন। এটি কোনোভাবেই বিধিবহির্ভূত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, “বিষয়টি আংশিকভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। এতে মনে হতে পারে, কোনো নিয়ম না মেনে গোপনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তব নয়।”
তিনি প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, “যদি কোনো নির্দিষ্ট ফাইল নিয়ে অভিযোগ থাকে, তাহলে সেটি জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করুন। আমি যে কোনো ফাইল নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে প্রস্তুত।”
এর আগে শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সচিবের সই ছাড়াই জোর করে একটি ফাইল অনুমোদন করেছিলেন।
তিনি জানান, পিরোজপুরের অবকাঠামো উন্নয়ন ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং সেই তদন্তের আওতায় উক্ত ফাইল অনুমোদনের বিষয়টিও আনা হবে।
মীর শাহে আলম দাবি করেন, “মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবের সই ছাড়া কোনো মন্ত্রী বা উপদেষ্টা ফাইল অনুমোদন দিতে পারেন না। এটি রুলস অব বিজনেস ও রুলস অব প্রসিডিউরের পরিপন্থি।”
তবে এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ইঙ্গিত দিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেছেন, পুরো বিষয়টি জনগণের সামনে পরিষ্কার করা হলে বাস্তবতা বেরিয়ে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন