স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পিরোজপুর আগমন দিবস উপলক্ষে বিশেষ দোয়া, বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলার চলিশা এলাকায় জেলা পরিষদের আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮১ সালের ২১ মে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চলিশা এলাকায় একটি ঐতিহাসিক খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নিতে পিরোজপুরে এসেছিলেন। তাঁর সেই আগমনী দিনটিকে স্মরণ করেই আজকের এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।
‘তাঁর হাত দিয়ে খনন করা খাল আজও বহমান’
৫নং টোনা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাঈনুল হাসান দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, কৃষি কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, ১৯৮১ সালের এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চলিশা এলাকায় খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নিতে পিরোজপুরে এসেছিলেন। তিনি কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং নিজ হাতে মাটি কেটে কাজ করে গেছেন। তাঁর সেই খনন করা খাল আজও বহমান রয়েছে এবং এই অঞ্চলের মানুষের উপকারে আসছে। তাঁর সেই উন্নয়নমুখী আদর্শকে সামনে রেখেই জেলা পরিষদের সহযোগিতায় আমরা স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছি।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ বিতরণ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমাদের এই গাছ লাগানোর উদ্যোগ আগামীতেও চলমান থাকবে।"
আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশের সমৃদ্ধি চেয়ে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মোনাজাত শেষে চলিশা এলাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ফলদ ও বনজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত অন্যান্য অতিথিরা চলিশা এলাকায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পিরোজপুর আগমন দিবস উপলক্ষে বিশেষ দোয়া, বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলার চলিশা এলাকায় জেলা পরিষদের আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮১ সালের ২১ মে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চলিশা এলাকায় একটি ঐতিহাসিক খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নিতে পিরোজপুরে এসেছিলেন। তাঁর সেই আগমনী দিনটিকে স্মরণ করেই আজকের এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।
‘তাঁর হাত দিয়ে খনন করা খাল আজও বহমান’
৫নং টোনা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাঈনুল হাসান দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, কৃষি কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, ১৯৮১ সালের এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চলিশা এলাকায় খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নিতে পিরোজপুরে এসেছিলেন। তিনি কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং নিজ হাতে মাটি কেটে কাজ করে গেছেন। তাঁর সেই খনন করা খাল আজও বহমান রয়েছে এবং এই অঞ্চলের মানুষের উপকারে আসছে। তাঁর সেই উন্নয়নমুখী আদর্শকে সামনে রেখেই জেলা পরিষদের সহযোগিতায় আমরা স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছি।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ বিতরণ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমাদের এই গাছ লাগানোর উদ্যোগ আগামীতেও চলমান থাকবে।"
আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশের সমৃদ্ধি চেয়ে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মোনাজাত শেষে চলিশা এলাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ফলদ ও বনজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত অন্যান্য অতিথিরা চলিশা এলাকায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন