পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। তবে হাটে গিয়ে যেন ভোগান্তি বা প্রতারণার শিকার হতে না হয়, সেজন্য আগে থেকেই নিতে হবে কিছু আগাম প্রস্তুতি।
হাটে যাওয়ার আগে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বাজেট ঠিক করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি গরু, ছাগল বা অন্য কোনো পশু কেনা হবে কি না এবং একক নাকি শরিকে কোরবানি দেওয়া হবে, সেটিও আগে থেকে নির্ধারণ করে রাখা ভালো।
হাটে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস সঙ্গে রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেমন, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, মোবাইল পুরো চার্জ দিয়ে নেওয়া, পানির বোতল, হালকা খাবার, টিস্যু, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ছাতা। কাদা বা ভিড়ের কথা বিবেচনায় প্লাস্টিকের জুতা ব্যবহার করাও সুবিধাজনক।
পশু কেনার ক্ষেত্রে সুস্থতা যাচাইয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পশুর চোখ উজ্জ্বল কি না, স্বাভাবিকভাবে হাঁটে কি না, শরীরে ক্ষত বা রোগের চিহ্ন আছে কি না এবং খাবার খাওয়ার আচরণ স্বাভাবিক কি না এসব বিষয় খেয়াল রাখতে বলেছেন অভিজ্ঞরা। দাঁত দেখে বয়স মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে দরদামের ক্ষেত্রেও কৌশলী হতে হবে। একাধিক হাট ঘুরে দাম যাচাই করা, শুরুতেই বাজেট প্রকাশ না করা এবং অভিজ্ঞ কাউকে সঙ্গে নেওয়া ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে।
হাটে পকেটমার বা প্রতারক চক্রের তৎপরতা থাকায় নিরাপত্তার বিষয়েও বাড়তি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বড় অঙ্কের টাকা প্রকাশ্যে না গোনা, অপরিচিত কারও হাতে টাকা বা মোবাইল না দেওয়া এবং রাতে দলবেঁধে হাটে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অনলাইনে পশু কেনার প্রবণতা বাড়ায় বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে কেনাকাটা, সাম্প্রতিক ছবি বা ভিডিও যাচাই এবং ডেলিভারি শর্ত নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সচেতনতা ও সঠিক প্রস্তুতি থাকলে কোরবানির হাটের কেনাকাটা হতে পারে নিরাপদ, সহজ ও স্বস্তিদায়ক।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। তবে হাটে গিয়ে যেন ভোগান্তি বা প্রতারণার শিকার হতে না হয়, সেজন্য আগে থেকেই নিতে হবে কিছু আগাম প্রস্তুতি।
হাটে যাওয়ার আগে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বাজেট ঠিক করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি গরু, ছাগল বা অন্য কোনো পশু কেনা হবে কি না এবং একক নাকি শরিকে কোরবানি দেওয়া হবে, সেটিও আগে থেকে নির্ধারণ করে রাখা ভালো।
হাটে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস সঙ্গে রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেমন, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, মোবাইল পুরো চার্জ দিয়ে নেওয়া, পানির বোতল, হালকা খাবার, টিস্যু, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ছাতা। কাদা বা ভিড়ের কথা বিবেচনায় প্লাস্টিকের জুতা ব্যবহার করাও সুবিধাজনক।
পশু কেনার ক্ষেত্রে সুস্থতা যাচাইয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পশুর চোখ উজ্জ্বল কি না, স্বাভাবিকভাবে হাঁটে কি না, শরীরে ক্ষত বা রোগের চিহ্ন আছে কি না এবং খাবার খাওয়ার আচরণ স্বাভাবিক কি না এসব বিষয় খেয়াল রাখতে বলেছেন অভিজ্ঞরা। দাঁত দেখে বয়স মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে দরদামের ক্ষেত্রেও কৌশলী হতে হবে। একাধিক হাট ঘুরে দাম যাচাই করা, শুরুতেই বাজেট প্রকাশ না করা এবং অভিজ্ঞ কাউকে সঙ্গে নেওয়া ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে।
হাটে পকেটমার বা প্রতারক চক্রের তৎপরতা থাকায় নিরাপত্তার বিষয়েও বাড়তি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বড় অঙ্কের টাকা প্রকাশ্যে না গোনা, অপরিচিত কারও হাতে টাকা বা মোবাইল না দেওয়া এবং রাতে দলবেঁধে হাটে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অনলাইনে পশু কেনার প্রবণতা বাড়ায় বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম থেকে কেনাকাটা, সাম্প্রতিক ছবি বা ভিডিও যাচাই এবং ডেলিভারি শর্ত নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সচেতনতা ও সঠিক প্রস্তুতি থাকলে কোরবানির হাটের কেনাকাটা হতে পারে নিরাপদ, সহজ ও স্বস্তিদায়ক।

আপনার মতামত লিখুন