বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো থেকে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, এসি টেকনিশিয়ান ও ওয়েল্ডিংসহ বিভিন্ন দক্ষ পেশায় জনবল নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার।
সোমবার (১৮ মে) ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-কাতার যৌথ কমিটির সপ্তম বৈঠকে এ আগ্রহের কথা জানান কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
বৈঠকে কাতারের শ্রমমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের নির্দিষ্ট পাঁচটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে এসব সেক্টরে দক্ষ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে তাদের আগ্রহ রয়েছে।
এ সময় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমানে কাতারে চার লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত আছেন, যারা দেশটির উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তিনি জানান, ২০২৩ সালে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মী কাতারে গেছেন এবং চলতি বছর এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কাতারগামী কর্মীদের ভিসা প্রক্রিয়া ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সহজ করতে দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে ভিসা ও মেডিকেল সেন্টার স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা ১১০টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে ৫৫টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক কাতারের উন্নয়ন খাতে বাংলাদেশ থেকে আরও ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নার্স, কেয়ারগিভার, ইমাম ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের আহ্বান জানান।
জবাবে কাতারের শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের কর্মীদের দক্ষতার প্রশংসা করে বলেন, বর্তমানে কাতারে প্রায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার বাংলাদেশি কর্মরত আছেন, যাদের একটি বড় অংশ বিভিন্ন উন্নয়ন ও অন্যান্য খাতে নিয়োজিত। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে ভিসা সেন্টার সম্প্রসারণের বিষয়টি তিনি কাতারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো থেকে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, এসি টেকনিশিয়ান ও ওয়েল্ডিংসহ বিভিন্ন দক্ষ পেশায় জনবল নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার।
সোমবার (১৮ মে) ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-কাতার যৌথ কমিটির সপ্তম বৈঠকে এ আগ্রহের কথা জানান কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
বৈঠকে কাতারের শ্রমমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের নির্দিষ্ট পাঁচটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে এসব সেক্টরে দক্ষ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে তাদের আগ্রহ রয়েছে।
এ সময় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমানে কাতারে চার লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত আছেন, যারা দেশটির উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তিনি জানান, ২০২৩ সালে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মী কাতারে গেছেন এবং চলতি বছর এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কাতারগামী কর্মীদের ভিসা প্রক্রিয়া ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সহজ করতে দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে ভিসা ও মেডিকেল সেন্টার স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা ১১০টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে ৫৫টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক কাতারের উন্নয়ন খাতে বাংলাদেশ থেকে আরও ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নার্স, কেয়ারগিভার, ইমাম ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের আহ্বান জানান।
জবাবে কাতারের শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের কর্মীদের দক্ষতার প্রশংসা করে বলেন, বর্তমানে কাতারে প্রায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার বাংলাদেশি কর্মরত আছেন, যাদের একটি বড় অংশ বিভিন্ন উন্নয়ন ও অন্যান্য খাতে নিয়োজিত। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে ভিসা সেন্টার সম্প্রসারণের বিষয়টি তিনি কাতারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।

আপনার মতামত লিখুন