ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলায় মোসা: সামিরা (১৭) নামে এক দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ আওরাবুনিয়া এলাকার নিজ বাড়ি চৌদ্দবোয়ালিয়া মুন্সীবাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সামিরা দক্ষিণ আওরাবুনিয়ার চৌদ্দবোয়ালিয়া এলাকার মো: শওকত হোসেন সুমন মুন্সীও মোসা: মালা বেগমের বড় মেয়ে। তিনি আওরাবুনিয়া মডেল হাই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সামিরা স্কুলে না যাওয়ায় দুপুরে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য দ্রুত গোসল করে খাবার খেয়ে প্রস্তুত হতে বললে আবারও মা-মেয়ের মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে দুপুরের খাবার না খেয়ে নিজ কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় সে। অনেকক্ষণ কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় সামিরাকে ঝুলতে দেখেন তারা। পরে দ্রুত উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর-কাঁঠালিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহ আলম বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল শেষে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানাজা শেষে বুধবার সকাল ১০.০০ টায় নিহতের লাশ নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।তবে এ ঘটনায় কাঠালিয়া থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলায় মোসা: সামিরা (১৭) নামে এক দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ আওরাবুনিয়া এলাকার নিজ বাড়ি চৌদ্দবোয়ালিয়া মুন্সীবাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সামিরা দক্ষিণ আওরাবুনিয়ার চৌদ্দবোয়ালিয়া এলাকার মো: শওকত হোসেন সুমন মুন্সীও মোসা: মালা বেগমের বড় মেয়ে। তিনি আওরাবুনিয়া মডেল হাই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সামিরা স্কুলে না যাওয়ায় দুপুরে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য দ্রুত গোসল করে খাবার খেয়ে প্রস্তুত হতে বললে আবারও মা-মেয়ের মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে দুপুরের খাবার না খেয়ে নিজ কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় সে। অনেকক্ষণ কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় সামিরাকে ঝুলতে দেখেন তারা। পরে দ্রুত উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর-কাঁঠালিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহ আলম বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল শেষে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানাজা শেষে বুধবার সকাল ১০.০০ টায় নিহতের লাশ নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।তবে এ ঘটনায় কাঠালিয়া থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন