নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যায় গত বুধবার হাবিবুরের নিজ বাড়ির উঠানে তাদের কবর দেওয়া হয়।
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রামবাসীকে আহ্বান জানান কবর জিয়ারতের। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে গ্রামবাসী জুম্মার নামাজের পর নিহত চারজনের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কবর জিয়ারতের পর পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমি ধৈর্য ধারণ করতে পারছি না। আমার ছেলের মতো জামাই ও মেয়েকে তারা সম্পত্তির লোভে গলা কেটে হত্যা করেছে। ছাড়েনি তিন বছরের নাতনি ও ৯ বছরের নাতিকে। ঘাতকদের ফাঁসি হলে হয়তো তাদের আত্মা শান্তি পাবে।
বাহাদুরপুর গ্রামের আলামিন বলেন, গ্রামের সকলেই একটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এমন নৃশংস হত্যাকান্ডে যেন না ঘটে সেজন্য তাদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।
নিহতরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২) তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)।
গত সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয় পুলিশ। পরদিন বুধবার বিকেলে চারজনকে নিজ বাড়ির উঠানে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুতই খুনের রহস্য উদঘাটন করে। হাবিবুরের ভাগিনা সবুজ রানা(২৫), আরেক ভাগিনা শাহিন আলম(৩৫) ও ভগ্নিপতি শহিদুল মন্ডল (৫০) এ হত্যাকান্ড অংশ নেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ড ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে।
আদালতে সবুজ রানা জবানবন্দিতে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা স্বীকার করে।
গত বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) চাঁদ আলী আদালতে অপর দুই আসামি শাহিন আলম ও শহিদুল মন্ডলের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে তাদের দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মন্জুর করে।
উল্লেখ্য নিহত হাবিবুর রহমানের পিতা বা বোনদেরকে কবর জিয়ারতে অংশগ্রহন করতে দেখা যায়নি ।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যায় গত বুধবার হাবিবুরের নিজ বাড়ির উঠানে তাদের কবর দেওয়া হয়।
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রামবাসীকে আহ্বান জানান কবর জিয়ারতের। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে গ্রামবাসী জুম্মার নামাজের পর নিহত চারজনের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কবর জিয়ারতের পর পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমি ধৈর্য ধারণ করতে পারছি না। আমার ছেলের মতো জামাই ও মেয়েকে তারা সম্পত্তির লোভে গলা কেটে হত্যা করেছে। ছাড়েনি তিন বছরের নাতনি ও ৯ বছরের নাতিকে। ঘাতকদের ফাঁসি হলে হয়তো তাদের আত্মা শান্তি পাবে।
বাহাদুরপুর গ্রামের আলামিন বলেন, গ্রামের সকলেই একটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এমন নৃশংস হত্যাকান্ডে যেন না ঘটে সেজন্য তাদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।
নিহতরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২) তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)।
গত সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয় পুলিশ। পরদিন বুধবার বিকেলে চারজনকে নিজ বাড়ির উঠানে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুতই খুনের রহস্য উদঘাটন করে। হাবিবুরের ভাগিনা সবুজ রানা(২৫), আরেক ভাগিনা শাহিন আলম(৩৫) ও ভগ্নিপতি শহিদুল মন্ডল (৫০) এ হত্যাকান্ড অংশ নেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ড ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে।
আদালতে সবুজ রানা জবানবন্দিতে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা স্বীকার করে।
গত বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) চাঁদ আলী আদালতে অপর দুই আসামি শাহিন আলম ও শহিদুল মন্ডলের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে তাদের দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মন্জুর করে।
উল্লেখ্য নিহত হাবিবুর রহমানের পিতা বা বোনদেরকে কবর জিয়ারতে অংশগ্রহন করতে দেখা যায়নি ।

আপনার মতামত লিখুন