যশোরের কেশবপুরে ধানখেতের সেচযন্ত্রের গর্ত থেকে স্বামী-স্ত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক দেখে ফেলায় ওই দম্পতিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জেসমিন বেগম ও মোস্তফা কামাল নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় যশোর জেলা পুলিশের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, গত ৩১ অক্টোবর কেশবপুর উপজেলার ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের একটি ধানখেতে সেচযন্ত্রের গর্ত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত হয়। নিহতরা হলেন আলেক নুর ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী মাজেদা বেগম।
এ ঘটনায় নিহত দম্পতির মেয়ে সাবিনা খাতুন বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্তের একপর্যায়ে জেসমিন বেগম ও মোস্তফা কামালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, জেসমিন ও মাজেদা যশোরের অভয়নগরের একটি জুট মিলে কাজ করতেন। পুলিশের দাবি, মোস্তফা কামালের সঙ্গে জেসমিনের চার থেকে পাঁচ মাস ধরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক চলছিল। গত ৩০ অক্টোবর মাঠে তাঁদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন মাজেদা। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাঁরা ওই দম্পতিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে কৌশলে আলেক নুর ইসলাম ও মাজেদাকে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলেককে আঘাত করেন মোস্তফা। অন্যদিকে, মাজেদার ওড়না দিয়ে তাঁর গলায় ফাঁস দেন জেসমিন। পরে তাঁকে কাঁচি দিয়েও আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে দুজনের মরদেহ পুরোনো সেচযন্ত্রের গর্তে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, নিহত আলেক নুর ইসলাম শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটনে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
যশোরের কেশবপুরে ধানখেতের সেচযন্ত্রের গর্ত থেকে স্বামী-স্ত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক দেখে ফেলায় ওই দম্পতিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জেসমিন বেগম ও মোস্তফা কামাল নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় যশোর জেলা পুলিশের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, গত ৩১ অক্টোবর কেশবপুর উপজেলার ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের একটি ধানখেতে সেচযন্ত্রের গর্ত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত হয়। নিহতরা হলেন আলেক নুর ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী মাজেদা বেগম।
এ ঘটনায় নিহত দম্পতির মেয়ে সাবিনা খাতুন বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্তের একপর্যায়ে জেসমিন বেগম ও মোস্তফা কামালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, জেসমিন ও মাজেদা যশোরের অভয়নগরের একটি জুট মিলে কাজ করতেন। পুলিশের দাবি, মোস্তফা কামালের সঙ্গে জেসমিনের চার থেকে পাঁচ মাস ধরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক চলছিল। গত ৩০ অক্টোবর মাঠে তাঁদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন মাজেদা। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাঁরা ওই দম্পতিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে কৌশলে আলেক নুর ইসলাম ও মাজেদাকে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলেককে আঘাত করেন মোস্তফা। অন্যদিকে, মাজেদার ওড়না দিয়ে তাঁর গলায় ফাঁস দেন জেসমিন। পরে তাঁকে কাঁচি দিয়েও আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে দুজনের মরদেহ পুরোনো সেচযন্ত্রের গর্তে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, নিহত আলেক নুর ইসলাম শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটনে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন