যশোরের কেশবপুরে ধানক্ষেতের পাশে একটি মেশিনঘরের গর্ত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁদের আনুমানিক বয়স ৪৫ থেকে ৫০ বছর। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের মাঠ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ধানক্ষেতের পাশে একটি মেশিনঘরের গর্তে মরদেহ দুটি পড়ে থাকতে দেখে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কেশবপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ দুটি অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল। পুরুষের শরীরে গামছা জড়ানো এবং নারীর পরনে ম্যাক্সি ছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান জানান, ফরেনসিক বিভাগের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর মরদেহ দুটির সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে।
অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহ দুটি এখানে ফেলে রাখা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, তদন্তের আগে এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
মরদেহ দুটি কার, তাঁদের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে এবং কীভাবে সেগুলো মেশিনঘরের গর্তে এল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও মরদেহ দুটির পরিচয় শনাক্তে পুলিশের তদন্ত চলছে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের কেশবপুরে ধানক্ষেতের পাশে একটি মেশিনঘরের গর্ত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁদের আনুমানিক বয়স ৪৫ থেকে ৫০ বছর। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের মাঠ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ধানক্ষেতের পাশে একটি মেশিনঘরের গর্তে মরদেহ দুটি পড়ে থাকতে দেখে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কেশবপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ দুটি অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল। পুরুষের শরীরে গামছা জড়ানো এবং নারীর পরনে ম্যাক্সি ছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান জানান, ফরেনসিক বিভাগের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর মরদেহ দুটির সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে।
অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহ দুটি এখানে ফেলে রাখা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, তদন্তের আগে এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
মরদেহ দুটি কার, তাঁদের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে এবং কীভাবে সেগুলো মেশিনঘরের গর্তে এল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও মরদেহ দুটির পরিচয় শনাক্তে পুলিশের তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন