চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৬০ বছর পূর্তি ও হীরকজয়ন্তী উদযাপনে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
আগামী ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠার ৬০ বছর পূর্ণ হবে। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী হীরকজয়ন্তী উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন চলবে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা। তবে বর্তমান শিক্ষার্থীরা বিনা মূল্যে নিবন্ধন করতে পারবেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হীরকজয়ন্তী উদযাপনের নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপাচার্য। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অংশীজনকে নিবন্ধন সম্পন্ন করে আয়োজনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
উপাচার্য জানান, হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, মধ্যাহ্নভোজ, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি জ্ঞানচর্চা, মুক্তবুদ্ধির বিকাশ, সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও প্রগতিশীল চিন্তার এক অনন্য কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ছয় দশকে এ বিশ্ববিদ্যালয় অসংখ্য দক্ষ, মেধাবী ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরি করেছে। এখানকার প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, চিকিৎসা, প্রকৌশল, ব্যবসা-বাণিজ্য, সাংবাদিকতা ও সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণার বিকাশ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, বর্তমান বিশ্বে উচ্চশিক্ষার মান শুধু ডিগ্রি অর্জনের ওপর নির্ভর করে না। গবেষণার উৎকর্ষ, উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততাও এর গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চায় প্রশাসন, যেখানে শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা অর্জন করবে বলে জানান তিনি।
উপাচার্য আরও বলেন, হীরকজয়ন্তী শুধু অতীতের গৌরব স্মরণের আয়োজন নয়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন মূল্যায়ন, সীমাবদ্ধতা চিহ্নিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার দিকনির্দেশনা নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক ও যোগাযোগ আরও দৃঢ় হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্জন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি আগামী দিনের জন্য একটি জ্ঞানভিত্তিক, গবেষণানির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন উপাচার্য।
সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে হীরকজয়ন্তী উদযাপনের বার্তা দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সীতাকুণ্ডের ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন অনেক সমৃদ্ধ। অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে হীরকজয়ন্তী উদ্যাপন সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। রেজিস্ট্রেশনের জন্য এক হাজার টাকা ফি দিতে হবে। আমরা আজ ফি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করেছি। পাঁচ হাজার জন পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন ফি একই থাকবে। তবে রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়ালে ফি বাড়তে পারে। আয়োজনটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলে তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য সহায়ক হবে।’ পরে তিনি প্রথম রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও প্রচার-প্রকাশনা ও ডকুমেন্টারি উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও প্রচার-প্রকাশনা ও ডকুমেন্টারি উপকমিটির সদস্যসচিব ড. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসাইন, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আমির হুমায়ুন চৌধুরী, আব্দুল গফফূর এবং মনজুরুল আমিন।
উল্লেখ্য, ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। আগামী ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠার ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে হীরকজয়ন্তী উদযাপন করা হবে।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৬০ বছর পূর্তি ও হীরকজয়ন্তী উদযাপনে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
আগামী ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠার ৬০ বছর পূর্ণ হবে। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী হীরকজয়ন্তী উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন চলবে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা। তবে বর্তমান শিক্ষার্থীরা বিনা মূল্যে নিবন্ধন করতে পারবেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হীরকজয়ন্তী উদযাপনের নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপাচার্য। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অংশীজনকে নিবন্ধন সম্পন্ন করে আয়োজনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
উপাচার্য জানান, হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, মধ্যাহ্নভোজ, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি জ্ঞানচর্চা, মুক্তবুদ্ধির বিকাশ, সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও প্রগতিশীল চিন্তার এক অনন্য কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ছয় দশকে এ বিশ্ববিদ্যালয় অসংখ্য দক্ষ, মেধাবী ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরি করেছে। এখানকার প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, চিকিৎসা, প্রকৌশল, ব্যবসা-বাণিজ্য, সাংবাদিকতা ও সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণার বিকাশ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, বর্তমান বিশ্বে উচ্চশিক্ষার মান শুধু ডিগ্রি অর্জনের ওপর নির্ভর করে না। গবেষণার উৎকর্ষ, উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততাও এর গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চায় প্রশাসন, যেখানে শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা অর্জন করবে বলে জানান তিনি।
উপাচার্য আরও বলেন, হীরকজয়ন্তী শুধু অতীতের গৌরব স্মরণের আয়োজন নয়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন মূল্যায়ন, সীমাবদ্ধতা চিহ্নিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার দিকনির্দেশনা নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক ও যোগাযোগ আরও দৃঢ় হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্জন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি আগামী দিনের জন্য একটি জ্ঞানভিত্তিক, গবেষণানির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন উপাচার্য।
সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে হীরকজয়ন্তী উদযাপনের বার্তা দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সীতাকুণ্ডের ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন অনেক সমৃদ্ধ। অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে হীরকজয়ন্তী উদ্যাপন সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। রেজিস্ট্রেশনের জন্য এক হাজার টাকা ফি দিতে হবে। আমরা আজ ফি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করেছি। পাঁচ হাজার জন পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন ফি একই থাকবে। তবে রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়ালে ফি বাড়তে পারে। আয়োজনটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলে তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য সহায়ক হবে।’ পরে তিনি প্রথম রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও প্রচার-প্রকাশনা ও ডকুমেন্টারি উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও প্রচার-প্রকাশনা ও ডকুমেন্টারি উপকমিটির সদস্যসচিব ড. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসাইন, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আমির হুমায়ুন চৌধুরী, আব্দুল গফফূর এবং মনজুরুল আমিন।
উল্লেখ্য, ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। আগামী ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠার ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে হীরকজয়ন্তী উদযাপন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন