মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি-এডমিন) মোঃ শামিউল ইসলাম প্রামাণিকের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের হয়রানি ও তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সভাপতি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী। একই সঙ্গে ওই কর্মকর্তাকে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, উপপরিচালক শামিউল ইসলাম প্রামাণিক বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং নানা উপায়ে তাঁদের হয়রানি করেন। এ ধরনের আচরণে শিক্ষকরা বিব্রত ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জাতীয় দৈনিক বিপ্লবী বার্তার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারেও একই ধরনের বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী। তিনি ওই কর্মকর্তাকে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
তবে অধ্যক্ষ আজিজীর এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপপরিচালক (এডমিন) মোঃ শামিউল ইসলাম প্রামাণিক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জাতীয় দৈনিক বিপ্লবী বার্তাকে বলেন, “আমরা সবসময় দাপ্তরিক শিষ্টাচার মেনে কথা বলি। কাউকে হুমকি-ধমকি দেওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। ওনার সঙ্গে আমার কোনো দিন ফোনেও কথা হয়নি।”

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি-এডমিন) মোঃ শামিউল ইসলাম প্রামাণিকের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের হয়রানি ও তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সভাপতি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী। একই সঙ্গে ওই কর্মকর্তাকে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, উপপরিচালক শামিউল ইসলাম প্রামাণিক বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং নানা উপায়ে তাঁদের হয়রানি করেন। এ ধরনের আচরণে শিক্ষকরা বিব্রত ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জাতীয় দৈনিক বিপ্লবী বার্তার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারেও একই ধরনের বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী। তিনি ওই কর্মকর্তাকে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
তবে অধ্যক্ষ আজিজীর এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপপরিচালক (এডমিন) মোঃ শামিউল ইসলাম প্রামাণিক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জাতীয় দৈনিক বিপ্লবী বার্তাকে বলেন, “আমরা সবসময় দাপ্তরিক শিষ্টাচার মেনে কথা বলি। কাউকে হুমকি-ধমকি দেওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। ওনার সঙ্গে আমার কোনো দিন ফোনেও কথা হয়নি।”

আপনার মতামত লিখুন