জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণসহ সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে এ লংমার্চ শুরু হবে। ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাগেরহাটের কাটাখালী গোলচত্বরে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাগেরহাটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, এ লংমার্চ ক্ষমতা দখলের আন্দোলন নয় বরং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। খুলনা ও কুষ্টিয়াসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দুর্দশা, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে এ কর্মসূচি সাজানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর আরও শক্তিশালী করাই তাদের লক্ষ্য।
তারা আরও বলেন, ঢাকা, খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রস্তুতি সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এ লংমার্চের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।সংবাদ সম্মেলনে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নেতারা বলেন, দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি সফল করতে দল মত নির্বিশেষে সবাইকে অংশ নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনের প্রতি কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে বাস্তবায়নে সহযোগিতা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে নেতারা বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এ কর্মসূচির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।
বাগেরহাটকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি, যোগাযোগ ও পর্যটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জেলা উল্লেখ করে নেতারা বলেন, মোংলা বন্দর ও সুন্দরবনকেন্দ্রিক এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, খুলনার সঙ্গে বাগেরহাটের নিবিড় যোগাযোগ, স্থানীয় কৃষি মৎস্যজীবীদের ন্যায্য অধিকার এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের বিষয়গুলো কাটাখালী গোলচত্বরের পথসভায় তুলে ধরা হবে।
লংমার্চে অংশ নিতে বাগেরহাটের সর্বস্তরের জনগণ, ছাত্র জনতা ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নেতারা বলেন, আগামী ৩১ অক্টোবরের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিটি জেলা ও মহাসড়কে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল হক রাহাদ , বাগেরহাট- ১ আসনের এমপি অধ্যক্ষ মশিউর রহমান, এনসিপির সমন্বয়ক সৈয়দ মোরশেদ আনোয়ার সোহেল, জেলার সেক্রেটারি মো. ইউনুস আলী,বাংলাদেশ জামাত ইসলামীর জেলার সহ সেক্রেটারি মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহ, বাগেরহাট জেলা ইমাম সমিতি সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন সহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণসহ সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে এ লংমার্চ শুরু হবে। ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাগেরহাটের কাটাখালী গোলচত্বরে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাগেরহাটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, এ লংমার্চ ক্ষমতা দখলের আন্দোলন নয় বরং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। খুলনা ও কুষ্টিয়াসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দুর্দশা, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে এ কর্মসূচি সাজানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর আরও শক্তিশালী করাই তাদের লক্ষ্য।
তারা আরও বলেন, ঢাকা, খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রস্তুতি সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এ লংমার্চের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।সংবাদ সম্মেলনে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নেতারা বলেন, দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি সফল করতে দল মত নির্বিশেষে সবাইকে অংশ নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনের প্রতি কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে বাস্তবায়নে সহযোগিতা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে নেতারা বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এ কর্মসূচির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।
বাগেরহাটকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি, যোগাযোগ ও পর্যটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জেলা উল্লেখ করে নেতারা বলেন, মোংলা বন্দর ও সুন্দরবনকেন্দ্রিক এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, খুলনার সঙ্গে বাগেরহাটের নিবিড় যোগাযোগ, স্থানীয় কৃষি মৎস্যজীবীদের ন্যায্য অধিকার এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের বিষয়গুলো কাটাখালী গোলচত্বরের পথসভায় তুলে ধরা হবে।
লংমার্চে অংশ নিতে বাগেরহাটের সর্বস্তরের জনগণ, ছাত্র জনতা ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নেতারা বলেন, আগামী ৩১ অক্টোবরের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিটি জেলা ও মহাসড়কে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল হক রাহাদ , বাগেরহাট- ১ আসনের এমপি অধ্যক্ষ মশিউর রহমান, এনসিপির সমন্বয়ক সৈয়দ মোরশেদ আনোয়ার সোহেল, জেলার সেক্রেটারি মো. ইউনুস আলী,বাংলাদেশ জামাত ইসলামীর জেলার সহ সেক্রেটারি মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহ, বাগেরহাট জেলা ইমাম সমিতি সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন সহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন