কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনসহ রশিদুল ইসলাম রতন (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি আন্তঃজেলা মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের অন্যতম হোতা বলে দাবি পুলিশের।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টা থেকে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর ৩টা পর্যন্ত উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। রতন উপজেলার মধ্য ভরতের ছড়া এলাকার তফিজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড়ে একটি দোকান পরিচালনার আড়ালে ভারতীয় মোবাইল ফোন ও মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে রতনের বিরুদ্ধে। ভারত থেকে চোরাই পথে আনা মোবাইল ফোন তাঁর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার শপিংমল ও দোকানে সরবরাহ করা হতো বলে দাবি পুলিশের।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন নিকটাত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে একটি চোরাকারবারি চক্র গড়ে তুলেছিলেন রতন। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালানো হলেও তিনি পুলিশের নাগালের বাইরে ছিলেন।
সর্বশেষ কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে থানার একটি দল ছদ্মবেশে অভিযান চালায়। এ সময় ভারতীয় মোবাইল ফোন কেনাবেচার সময় তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রতনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনসহ রশিদুল ইসলাম রতন (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি আন্তঃজেলা মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের অন্যতম হোতা বলে দাবি পুলিশের।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টা থেকে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর ৩টা পর্যন্ত উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। রতন উপজেলার মধ্য ভরতের ছড়া এলাকার তফিজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড়ে একটি দোকান পরিচালনার আড়ালে ভারতীয় মোবাইল ফোন ও মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে রতনের বিরুদ্ধে। ভারত থেকে চোরাই পথে আনা মোবাইল ফোন তাঁর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার শপিংমল ও দোকানে সরবরাহ করা হতো বলে দাবি পুলিশের।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন নিকটাত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে একটি চোরাকারবারি চক্র গড়ে তুলেছিলেন রতন। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালানো হলেও তিনি পুলিশের নাগালের বাইরে ছিলেন।
সর্বশেষ কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে থানার একটি দল ছদ্মবেশে অভিযান চালায়। এ সময় ভারতীয় মোবাইল ফোন কেনাবেচার সময় তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রতনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন