চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সোহরাওয়ার্দী হলের তৎকালীন প্রভোস্ট ও দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নানকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে দেড় মাসেও তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলে দাবি করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে ওঠা এ অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৩১ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি অডিও ক্লিপে ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানকে সোহরাওয়ার্দী হলের তৎকালীন প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নানের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও হুমকি দেওয়ার কথা শোনা যায় বলে দাবি করেছে চাকসু। তাঁর অনুসারী এক কর্মীর জন্য অবৈধভাবে হলের আসন দখলের উদ্দেশ্যে এমন আচরণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ সংগঠনটির।
চাকসুর দাবি, এ ধরনের আচরণ মেনে নিতে না পেরে প্রভোস্ট পদত্যাগ করেন। পরে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা ঘটনার বিচার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তবে অভিযোগ জমা দেওয়ার দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্তের ন্যূনতম অগ্রগতি হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ ছাড়া একই সংবাদ সম্মেলনে শাহ আমানত হলের মসজিদ সংস্কারকাজে টেন্ডারবাজির অভিযোগ তুলে আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় চাকসু। সংগঠনটির অভিযোগ, এসব ঘটনায় প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি প্রতিটি অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় চাকসু।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সোহরাওয়ার্দী হলের তৎকালীন প্রভোস্ট ও দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নানকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে দেড় মাসেও তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলে দাবি করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে ওঠা এ অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৩১ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি অডিও ক্লিপে ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানকে সোহরাওয়ার্দী হলের তৎকালীন প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নানের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও হুমকি দেওয়ার কথা শোনা যায় বলে দাবি করেছে চাকসু। তাঁর অনুসারী এক কর্মীর জন্য অবৈধভাবে হলের আসন দখলের উদ্দেশ্যে এমন আচরণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ সংগঠনটির।
চাকসুর দাবি, এ ধরনের আচরণ মেনে নিতে না পেরে প্রভোস্ট পদত্যাগ করেন। পরে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা ঘটনার বিচার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তবে অভিযোগ জমা দেওয়ার দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্তের ন্যূনতম অগ্রগতি হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ ছাড়া একই সংবাদ সম্মেলনে শাহ আমানত হলের মসজিদ সংস্কারকাজে টেন্ডারবাজির অভিযোগ তুলে আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় চাকসু। সংগঠনটির অভিযোগ, এসব ঘটনায় প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি প্রতিটি অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় চাকসু।

আপনার মতামত লিখুন