নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলম (৩৫) নামের এক রোহিঙ্গা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও র্যাব।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তর মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ। এর আগে সকালে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা জামে মসজিদের পূর্ব পাশে শফিউল্লাহর চায়ের দোকানের সামনে রাস্তার ওপর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটককৃত কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা শরণার্থী ক্যাম্প থেকে এই ইয়াবার চালান নিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন। তিনি লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং তাঁর এফসিএন নম্বর ২৫৪৪৪৮। এ সময় তাঁর কাছ থেকে চার হাজার পিস ইয়াবা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করে।
এই ঘটনার পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক বাপন সেন বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি দায়ের করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ জানান, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলম (৩৫) নামের এক রোহিঙ্গা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও র্যাব।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তর মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ। এর আগে সকালে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা জামে মসজিদের পূর্ব পাশে শফিউল্লাহর চায়ের দোকানের সামনে রাস্তার ওপর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটককৃত কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা শরণার্থী ক্যাম্প থেকে এই ইয়াবার চালান নিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন। তিনি লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং তাঁর এফসিএন নম্বর ২৫৪৪৪৮। এ সময় তাঁর কাছ থেকে চার হাজার পিস ইয়াবা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করে।
এই ঘটনার পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক বাপন সেন বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি দায়ের করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ জানান, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন