সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার শ্যামারচর বাজারে খাজনার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতিবাদ ও জনসচেতনতামূলক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্থানীয় যুবসমাজ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অভিযুক্ত জালাল মিয়া ও হাসান আলীকে বাজার থেকে চাঁদা আদায় করতে সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি নিয়ম মেনে সুষ্ঠুভাবে খাজনা আদায়ের আহ্বান জানানো হয়।
পথসভায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন দিরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. গোলাপ মিয়া। তিনি বলেন, সাবলিজ নেওয়ার দাবি করে বাজার থেকে চাঁদা আদায় কিংবা সাধারণ ব্যবসায়ী ও ভাসমান দোকানিদের হয়রানি করা যাবে না। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈধভাবে লিজ নেওয়া ব্যক্তিদের সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করে জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে খাজনা আদায়ের আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে শ্যামারচর বাজারে বাইরে থেকে আসা এক ভাসমান দোকানির কাছে ৩০০ টাকা দাবি করার অভিযোগ ওঠে। সাবলিজ নেওয়ার দাবিদার জালাল মিয়া (৪৭) ওই টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা হাফেজ আসাদুল্লাহ প্রতিবাদ জানান এবং বাইরে থেকে আসা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংযত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করার অনুরোধ করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা তৈরি হলে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. গোলাপ মিয়া ঘটনাটি খতিয়ে দেখেন।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার স্থানীয় যুবসমাজ ও এলাকাবাসীকে নিয়ে পথসভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে বাজার থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং অভিযুক্ত জালাল মিয়া ও হাসান আলীকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বক্তারা বলেন, শ্যামারচর বাজারে ব্যবসা করতে আসা স্থানীয় ও বাইরের ব্যবসায়ীদের জন্য নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। খাজনা আদায়ের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হবে এবং কোনোভাবেই সাধারণ ব্যবসায়ী বা ভাসমান দোকানিদের অযৌক্তিকভাবে অর্থ দিতে বাধ্য করা যাবে না।
এদিকে, এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, বাজারের সুনাম ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে খাজনা আদায়ের নামে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জালাল মিয়া ও হাসান আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং বাজারের লিজসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করা হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার শ্যামারচর বাজারে খাজনার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতিবাদ ও জনসচেতনতামূলক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্থানীয় যুবসমাজ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অভিযুক্ত জালাল মিয়া ও হাসান আলীকে বাজার থেকে চাঁদা আদায় করতে সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি নিয়ম মেনে সুষ্ঠুভাবে খাজনা আদায়ের আহ্বান জানানো হয়।
পথসভায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন দিরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. গোলাপ মিয়া। তিনি বলেন, সাবলিজ নেওয়ার দাবি করে বাজার থেকে চাঁদা আদায় কিংবা সাধারণ ব্যবসায়ী ও ভাসমান দোকানিদের হয়রানি করা যাবে না। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈধভাবে লিজ নেওয়া ব্যক্তিদের সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করে জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে খাজনা আদায়ের আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে শ্যামারচর বাজারে বাইরে থেকে আসা এক ভাসমান দোকানির কাছে ৩০০ টাকা দাবি করার অভিযোগ ওঠে। সাবলিজ নেওয়ার দাবিদার জালাল মিয়া (৪৭) ওই টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা হাফেজ আসাদুল্লাহ প্রতিবাদ জানান এবং বাইরে থেকে আসা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংযত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করার অনুরোধ করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা তৈরি হলে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. গোলাপ মিয়া ঘটনাটি খতিয়ে দেখেন।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার স্থানীয় যুবসমাজ ও এলাকাবাসীকে নিয়ে পথসভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে বাজার থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং অভিযুক্ত জালাল মিয়া ও হাসান আলীকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বক্তারা বলেন, শ্যামারচর বাজারে ব্যবসা করতে আসা স্থানীয় ও বাইরের ব্যবসায়ীদের জন্য নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। খাজনা আদায়ের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হবে এবং কোনোভাবেই সাধারণ ব্যবসায়ী বা ভাসমান দোকানিদের অযৌক্তিকভাবে অর্থ দিতে বাধ্য করা যাবে না।
এদিকে, এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, বাজারের সুনাম ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে খাজনা আদায়ের নামে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জালাল মিয়া ও হাসান আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং বাজারের লিজসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করা হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন