নওগাঁর নিয়ামতপুরে সেবা নিতে গিয়ে একের পর এক টেবিল ঘুরতে হয়। নিয়ম মেনে আবেদন, ফি জমা, ব্যাংক টাকা পরিশোধ, সবকিছু শেষ করার পরও মেলে না কাঙ্খিত সেবা। উল্টো শুরু হয় হয়রানি, অপেক্ষা আর ঘুষ দাবির মতো অভিযোগ। নিয়ামতপুর জোনাল অফিস(নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১) এর বিরুদ্ধে এমন ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরেছেন ভুক্তভোগীরা।
আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে জোনাল অফিসের সামনে একাধিক ভুক্তভোগী তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন।
উপজেলার ঘোষকুড়া গ্রামের মতিউর রহমান বলেন, একটি আবাসিক মিটারের জন্য দু'বার অনলাইনে আবেদন করেও মিটার সংযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, পাওয়ার ইউজ কো-অর্ডিনেটর রফিকুল ইসলাম ওয়ারিং করার পর ভুল ধরে সংশোধন করতে বলেন। সংশোধন করে ওয়ারিং করলেও মাস খানেক হলেও তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
উপজেলা সদরের মনিরুল ইসলাম বলেন, আমার শিল্প সংযোগে বিদ্যুতায়িত হয়ে ট্রান্সফরমার পুড়ে গেছে। প্রাকৃতিকভাবে নষ্ট হওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎতের লোকজন গিয়ে ট্রান্সফরমার খুলে নিয়ে আসে। অফিসে যোগাযোগ করলে নতুন ট্রান্সফরমারের জন্য ২৬ হাজার টাকা দাবি করে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে নষ্ট হলেও পাবলিককে কেন তার দায়ভার নিয়ে হবে। তিনি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
মুন্জুরুল আলম নামের আরেক গ্রাহক বলেন, আমি আবাসিক মিটারের জন্য আবেদন করলে অফিস থেকে পরিদর্শনে গিয়ে নানান অজুহাতে তা বাতিল করে। নতুন করে আবারও সবকিছু করলেও তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ দেখছি।
অভিযুক্ত পাওয়ার ইউজ কো-অর্ডিনেটর রফিকুল ইসলামের বক্তব্য নিতে গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি কৌশলে জোনাল অফিসের ছাদে অবস্থান নেন। সাংবাদিকরা ছাদে উঠতে গেলে তিনি নিচে নেমে আসেন। পরে তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বক্তব্য না প্রদান করে সাংবাদিকদের সাথে দূর্ব্যব্যবহার করেন।
নওগাঁ জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম বলেন, ইতিমধ্যে পাওয়ার হাউজ কো-অর্ডিনেটরের বিষয়টি জেনেছি। দ্রুতই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুরে সেবা নিতে গিয়ে একের পর এক টেবিল ঘুরতে হয়। নিয়ম মেনে আবেদন, ফি জমা, ব্যাংক টাকা পরিশোধ, সবকিছু শেষ করার পরও মেলে না কাঙ্খিত সেবা। উল্টো শুরু হয় হয়রানি, অপেক্ষা আর ঘুষ দাবির মতো অভিযোগ। নিয়ামতপুর জোনাল অফিস(নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১) এর বিরুদ্ধে এমন ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরেছেন ভুক্তভোগীরা।
আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে জোনাল অফিসের সামনে একাধিক ভুক্তভোগী তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন।
উপজেলার ঘোষকুড়া গ্রামের মতিউর রহমান বলেন, একটি আবাসিক মিটারের জন্য দু'বার অনলাইনে আবেদন করেও মিটার সংযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, পাওয়ার ইউজ কো-অর্ডিনেটর রফিকুল ইসলাম ওয়ারিং করার পর ভুল ধরে সংশোধন করতে বলেন। সংশোধন করে ওয়ারিং করলেও মাস খানেক হলেও তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
উপজেলা সদরের মনিরুল ইসলাম বলেন, আমার শিল্প সংযোগে বিদ্যুতায়িত হয়ে ট্রান্সফরমার পুড়ে গেছে। প্রাকৃতিকভাবে নষ্ট হওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎতের লোকজন গিয়ে ট্রান্সফরমার খুলে নিয়ে আসে। অফিসে যোগাযোগ করলে নতুন ট্রান্সফরমারের জন্য ২৬ হাজার টাকা দাবি করে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে নষ্ট হলেও পাবলিককে কেন তার দায়ভার নিয়ে হবে। তিনি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
মুন্জুরুল আলম নামের আরেক গ্রাহক বলেন, আমি আবাসিক মিটারের জন্য আবেদন করলে অফিস থেকে পরিদর্শনে গিয়ে নানান অজুহাতে তা বাতিল করে। নতুন করে আবারও সবকিছু করলেও তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ দেখছি।
অভিযুক্ত পাওয়ার ইউজ কো-অর্ডিনেটর রফিকুল ইসলামের বক্তব্য নিতে গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি কৌশলে জোনাল অফিসের ছাদে অবস্থান নেন। সাংবাদিকরা ছাদে উঠতে গেলে তিনি নিচে নেমে আসেন। পরে তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বক্তব্য না প্রদান করে সাংবাদিকদের সাথে দূর্ব্যব্যবহার করেন।
নওগাঁ জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম বলেন, ইতিমধ্যে পাওয়ার হাউজ কো-অর্ডিনেটরের বিষয়টি জেনেছি। দ্রুতই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন