চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র ১৭ দিন আগে নির্বাহী সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন আকাশ দাশ। গতবছর ধর্ষণ নিয়ে এক বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে প্রায় এক বছর ধরে তার শপথ স্থগিত থাকার পর মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তাকে শপথ পড়ানো হয়।
দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরে আকাশ দাশকে শপথ পাঠ করান উপাচার্য ও চাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
আকাশ দাশ ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে নির্বাহী সদস্য পদে জয়ী হন। তবে গত বছরের ২৪ অক্টোবর চাকসুর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের একদিন আগে ধর্ষণ নিয়ে একটি বিতর্কিত পোস্ট দেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তার শপথ আটকে যায়।
ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স, হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিনের ২১তম সভায় আকাশ দাশকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত হয়। ওই সিদ্ধান্তের পর মঙ্গলবার তিনি শপথ নেন।
শপথ গ্রহণের পর আকাশ দাশ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দীর্ঘ তদন্তের পর আমাকে শপথ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন। বিস্তারিত পরে জানাব।”
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, “তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত হয়েছে। একবারে শপথ গ্রহণ না করানোর চেয়ে করানো ভালো।"

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র ১৭ দিন আগে নির্বাহী সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন আকাশ দাশ। গতবছর ধর্ষণ নিয়ে এক বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে প্রায় এক বছর ধরে তার শপথ স্থগিত থাকার পর মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তাকে শপথ পড়ানো হয়।
দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরে আকাশ দাশকে শপথ পাঠ করান উপাচার্য ও চাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
আকাশ দাশ ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে নির্বাহী সদস্য পদে জয়ী হন। তবে গত বছরের ২৪ অক্টোবর চাকসুর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের একদিন আগে ধর্ষণ নিয়ে একটি বিতর্কিত পোস্ট দেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তার শপথ আটকে যায়।
ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব রেসিডেন্স, হেলথ অ্যান্ড ডিসিপ্লিনের ২১তম সভায় আকাশ দাশকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত হয়। ওই সিদ্ধান্তের পর মঙ্গলবার তিনি শপথ নেন।
শপথ গ্রহণের পর আকাশ দাশ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দীর্ঘ তদন্তের পর আমাকে শপথ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন। বিস্তারিত পরে জানাব।”
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, “তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত হয়েছে। একবারে শপথ গ্রহণ না করানোর চেয়ে করানো ভালো।"

আপনার মতামত লিখুন