নওগাঁর নিয়ামতপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩০ লিটার চোলাই মদসহ দুই কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার পাঁড়ইল ইউনিয়নের মাধইল মহাপাড়া গ্রামের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-মাধইল গ্রামের বাবুরামের ছেলে রুবেন (৪০) এবং একই গ্রামের মৃত খোয়াজ আলীর ছেলে মো. সোহরাব হোসেন (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় নিয়ামতপুর থানার একটি বিশেষ টিম মাধইল মহাপাড়া গ্রামের ওই বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে ৩০ লিটার অবৈধ চোলাই মদ জব্দ করা হয় এবং বাড়িতে উপস্থিত দুইজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে নিজ হেফাজতে চোলাই মদ তৈরি ও অবৈধভাবে বিক্রি করে আসছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান পিপিএম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩০ লিটার চোলাই মদসহ দুই কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার পাঁড়ইল ইউনিয়নের মাধইল মহাপাড়া গ্রামের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-মাধইল গ্রামের বাবুরামের ছেলে রুবেন (৪০) এবং একই গ্রামের মৃত খোয়াজ আলীর ছেলে মো. সোহরাব হোসেন (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় নিয়ামতপুর থানার একটি বিশেষ টিম মাধইল মহাপাড়া গ্রামের ওই বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে ৩০ লিটার অবৈধ চোলাই মদ জব্দ করা হয় এবং বাড়িতে উপস্থিত দুইজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে নিজ হেফাজতে চোলাই মদ তৈরি ও অবৈধভাবে বিক্রি করে আসছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান পিপিএম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন