গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সিংগুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বজ্রপাতে অন্তত ১৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছয়জনকে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, দুপুর ২টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের নিচতলায় ক্লাস চলছিল। বজ্রপাতের বিকট শব্দে অন্তত ১৮ জন মেয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
পরে শিক্ষক, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অটোরিকশায় করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ছয়জনকে ভর্তি করা হয়। অন্যদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স আ. মতিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ছয়জন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. তানভীর জানান, ওই ঘটনায় কোনো শিক্ষার্থী তাদের হাসপাতালে আসেনি।
ঘটনার বিষয়ে জানতে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল আরিফ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সিংগুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বজ্রপাতে অন্তত ১৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছয়জনকে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, দুপুর ২টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের নিচতলায় ক্লাস চলছিল। বজ্রপাতের বিকট শব্দে অন্তত ১৮ জন মেয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
পরে শিক্ষক, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অটোরিকশায় করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ছয়জনকে ভর্তি করা হয়। অন্যদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স আ. মতিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ছয়জন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. তানভীর জানান, ওই ঘটনায় কোনো শিক্ষার্থী তাদের হাসপাতালে আসেনি।
ঘটনার বিষয়ে জানতে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল আরিফ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

আপনার মতামত লিখুন