রবি মৌসুমকে সামনে রেখে যশোরের শার্শায় বিভিন্ন সার ও কীটনাশকের দোকান পরিদর্শন করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিপক কুমার সাহা।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সার ও কীটনাশকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় সারের মূল্য, কীটনাশকের দাম ও মেয়াদ, সারের চাহিদা ও সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেন কৃষি কর্মকর্তা।
পরিদর্শনকালে কৃষি কর্মকর্তা দিপক কুমার সাহা বলেন, রবি মৌসুমকে সামনে রেখে প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত সার মজুত রয়েছে। ফলে উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা ক্যাশ মেমো ও বিক্রয় রেজিস্টারের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করছেন। কোনো ডিলার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের জানানোর জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কৃষি কর্মকর্তা বলেন, উপজেলার কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বাজার মনিটরিং করছেন। অতীতেও শার্শায় সারের কোনো সংকট ছিল না, বর্তমানে কোনো ধরনের সারের সংকটও নেই।
এ সময় তিনি আবারও সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং কৃষকদের স্বার্থে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
রবি মৌসুমকে সামনে রেখে যশোরের শার্শায় বিভিন্ন সার ও কীটনাশকের দোকান পরিদর্শন করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিপক কুমার সাহা।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সার ও কীটনাশকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় সারের মূল্য, কীটনাশকের দাম ও মেয়াদ, সারের চাহিদা ও সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেন কৃষি কর্মকর্তা।
পরিদর্শনকালে কৃষি কর্মকর্তা দিপক কুমার সাহা বলেন, রবি মৌসুমকে সামনে রেখে প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত সার মজুত রয়েছে। ফলে উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা ক্যাশ মেমো ও বিক্রয় রেজিস্টারের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করছেন। কোনো ডিলার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের জানানোর জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কৃষি কর্মকর্তা বলেন, উপজেলার কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বাজার মনিটরিং করছেন। অতীতেও শার্শায় সারের কোনো সংকট ছিল না, বর্তমানে কোনো ধরনের সারের সংকটও নেই।
এ সময় তিনি আবারও সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং কৃষকদের স্বার্থে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন