শিক্ষকদের পেনশনের অর্থ লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে শিক্ষকদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৩রা অক্টোবর) পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার এলাকায় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকেরা দেশের নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত ও আলোকিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অথচ অনেক শিক্ষক অবসরের পর পেনশনের অর্থের ওপর নির্ভর করে জীবনযাপনের পরিকল্পনা করেন। সেই অর্থ কোনো গোষ্ঠী লুটপাট করে থাকলে বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
দেশের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানো হচ্ছে না। এ কারণে অবসরপ্রাপ্ত অনেক শিক্ষক পেনশনের অর্থের দিকে তাকিয়ে থাকেন। ইশরাক হোসেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘আপনাদের পেনশনের টাকা যেই গোষ্ঠী লুটপাট করেছে, তাদের চিহ্নিত করেন। তারা যত বড়ই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আমাদের সরকার অবশ্যই নিশ্চিত করবে, তাদের উপযুক্ত বিচার ও শাস্তির আওতায় আনা যায়।’
প্রয়োজনে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা করার আহ্বান জানিয়ে ইশরাক বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে তিনি দুদক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সমস্যা ও অভিযোগ শোনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শিক্ষকদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েও কথা বলেন ঢাকা-৬ আসনের এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, দেশের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানো হচ্ছে না। এ কারণে অবসরপ্রাপ্ত অনেক শিক্ষক পেনশনের অর্থের দিকে তাকিয়ে থাকেন।
ইশরাক হোসেন আরও বলেন, শিক্ষকেরা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ‘মেহনতি প্রফেশনাল’। তাদের অধিকার ও সমস্যা সমাধানে তিনি নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি শিক্ষকদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, শিক্ষকদের প্রাপ্য সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।
সম্মেলনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে মোঃ সাইদুর রহমান সরকার এবং মহাসচিব হিসেবে মোঃ রেজাউল করিম লিটনের নাম ঘোষণা করেন ইশরাক হোসেন।
নতুন কমিটির মহাসচিব মোঃ রেজাউল করিম লিটন প্রধান বক্তার বক্তব্যে বলেন, 'শিক্ষকদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। শিক্ষকরা জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান কারিগর। তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বেতন কাঠামো উন্নয়নের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আশা করি, এই উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের শিক্ষক সমাজ উপকৃত হবেন।'

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষকদের পেনশনের অর্থ লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে শিক্ষকদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৩রা অক্টোবর) পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার এলাকায় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকেরা দেশের নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত ও আলোকিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অথচ অনেক শিক্ষক অবসরের পর পেনশনের অর্থের ওপর নির্ভর করে জীবনযাপনের পরিকল্পনা করেন। সেই অর্থ কোনো গোষ্ঠী লুটপাট করে থাকলে বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
দেশের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানো হচ্ছে না। এ কারণে অবসরপ্রাপ্ত অনেক শিক্ষক পেনশনের অর্থের দিকে তাকিয়ে থাকেন। ইশরাক হোসেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘আপনাদের পেনশনের টাকা যেই গোষ্ঠী লুটপাট করেছে, তাদের চিহ্নিত করেন। তারা যত বড়ই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আমাদের সরকার অবশ্যই নিশ্চিত করবে, তাদের উপযুক্ত বিচার ও শাস্তির আওতায় আনা যায়।’
প্রয়োজনে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা করার আহ্বান জানিয়ে ইশরাক বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে তিনি দুদক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সমস্যা ও অভিযোগ শোনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শিক্ষকদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েও কথা বলেন ঢাকা-৬ আসনের এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, দেশের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানো হচ্ছে না। এ কারণে অবসরপ্রাপ্ত অনেক শিক্ষক পেনশনের অর্থের দিকে তাকিয়ে থাকেন।
ইশরাক হোসেন আরও বলেন, শিক্ষকেরা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ‘মেহনতি প্রফেশনাল’। তাদের অধিকার ও সমস্যা সমাধানে তিনি নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি শিক্ষকদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, শিক্ষকদের প্রাপ্য সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।
সম্মেলনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে মোঃ সাইদুর রহমান সরকার এবং মহাসচিব হিসেবে মোঃ রেজাউল করিম লিটনের নাম ঘোষণা করেন ইশরাক হোসেন।
নতুন কমিটির মহাসচিব মোঃ রেজাউল করিম লিটন প্রধান বক্তার বক্তব্যে বলেন, 'শিক্ষকদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। শিক্ষকরা জাতি গঠনের অন্যতম প্রধান কারিগর। তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বেতন কাঠামো উন্নয়নের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আশা করি, এই উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের শিক্ষক সমাজ উপকৃত হবেন।'

আপনার মতামত লিখুন