সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করায় জাতীয় ছাত্রশক্তি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাব্বি হোসেনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রক্টর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এক ছাত্রলীগ কর্মীর ফেসবুকে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে দেওয়া একটি পোস্টে মন্তব্য করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন রাব্বি হোসেন। বিষয়টি নজরে এলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের একটি অংশ তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তারা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অধিকতর তদন্তের জন্য তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনার পরপরই জাতীয় ছাত্রশক্তি কেন্দ্রীয় সংসদের এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও সংহতিপরিপন্থী কার্যকলাপের দায়ে রাব্বিকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।
ঘটনার বিষয়ে জাবি শাখা ছাত্রশক্তির সভাপতি জিয়াউদ্দিন আয়ান বলেন, “আমি বটতলায় দাঁড়িয়েছিলাম পূর্ব এক ঘোষিত একটা কর্মসূচিতে যাওয়ার জন্য। এই সময় রাব্বি হাসান বটতলায় আসে এবং সে আমার সাথে কথা বলতে চায়। আমি রাব্বিকে বলি তার সাথে আমার কোন কথা নেই। তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই মধ্যে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ ওইখানে আসে। আসার পর তারা রাব্বিকে ডাক দেয় ও ফেইসবুকে মন্তব্য করার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন আমিও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। এরপর নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আসলে তাকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং প্রশাসন যেন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয় এ বিষয়ে আমিও সম্মতি জানাই।”
তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ছাত্রশক্তি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা একটি সংগঠন। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের বিষয়ে আমরা কোনো ধরনের আপস কখনোই করিনি, ভবিষ্যতেও করব না। এ জন্য অভিযুক্ত রাব্বির বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছি ও তাকে বহিষ্কার করেছি।”
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সিয়াম আহমেদ বলেন, “অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি এবং প্রাথমিক তদন্তে আমরা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। ফারদার ইনভেস্টিগেশনের জন্য আমরা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি।”

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করায় জাতীয় ছাত্রশক্তি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাব্বি হোসেনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রক্টর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এক ছাত্রলীগ কর্মীর ফেসবুকে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে দেওয়া একটি পোস্টে মন্তব্য করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন রাব্বি হোসেন। বিষয়টি নজরে এলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের একটি অংশ তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তারা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অধিকতর তদন্তের জন্য তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনার পরপরই জাতীয় ছাত্রশক্তি কেন্দ্রীয় সংসদের এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও সংহতিপরিপন্থী কার্যকলাপের দায়ে রাব্বিকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।
ঘটনার বিষয়ে জাবি শাখা ছাত্রশক্তির সভাপতি জিয়াউদ্দিন আয়ান বলেন, “আমি বটতলায় দাঁড়িয়েছিলাম পূর্ব এক ঘোষিত একটা কর্মসূচিতে যাওয়ার জন্য। এই সময় রাব্বি হাসান বটতলায় আসে এবং সে আমার সাথে কথা বলতে চায়। আমি রাব্বিকে বলি তার সাথে আমার কোন কথা নেই। তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই মধ্যে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ ওইখানে আসে। আসার পর তারা রাব্বিকে ডাক দেয় ও ফেইসবুকে মন্তব্য করার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন আমিও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। এরপর নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আসলে তাকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং প্রশাসন যেন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয় এ বিষয়ে আমিও সম্মতি জানাই।”
তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ছাত্রশক্তি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা একটি সংগঠন। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের বিষয়ে আমরা কোনো ধরনের আপস কখনোই করিনি, ভবিষ্যতেও করব না। এ জন্য অভিযুক্ত রাব্বির বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছি ও তাকে বহিষ্কার করেছি।”
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সিয়াম আহমেদ বলেন, “অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি এবং প্রাথমিক তদন্তে আমরা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। ফারদার ইনভেস্টিগেশনের জন্য আমরা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি।”

আপনার মতামত লিখুন