নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে হাওরে হাঁস চরাতে গিয়ে বজ্রপাতে শফিকুল মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের পাউকাটা হাওরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শফিকুল মিয়া উপজেলার সাতগাঁও গ্রামের ইসহাক মেম্বারের ছেলে। তিনি হাঁস পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে শফিকুল তার পালিত হাঁসের ঝাঁক নিয়ে পাউকাটা হাওরে যান। সকাল ৯টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হলে একটি বজ্র শফিকুলের ওপর আঘাত হানে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
শফিকুল ছিলেন পরিবারের অন্যতম উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। হাঁস পালন করে কষ্টের আয়ে তিনি সংসার চালাতেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
মেন্দিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হাকিম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। শফিকুল তার পরিবারের ভরসা ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।’
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন জানান, তিনি দাপ্তরিক কাজে রানীচাপুরে অবস্থান করছেন। কাজ শেষ করে সাতগাঁও গ্রামে গিয়ে নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নেবেন।
খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অলিদুজ্জামান বলেন, ‘বজ্রপাতে শফিকুলের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিহতের দাফন-কাফনের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি সরকারি ত্রাণ তহবিল থেকে শুকনো খাবারও দেওয়া হবে।’
বর্ষা মৌসুমে হাওরাঞ্চলে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ সময় বৈরী আবহাওয়া ও আকাশ মেঘলা থাকলে হাওরে না যাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সতর্ক করে আসছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে হাওরে হাঁস চরাতে গিয়ে বজ্রপাতে শফিকুল মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের পাউকাটা হাওরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শফিকুল মিয়া উপজেলার সাতগাঁও গ্রামের ইসহাক মেম্বারের ছেলে। তিনি হাঁস পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে শফিকুল তার পালিত হাঁসের ঝাঁক নিয়ে পাউকাটা হাওরে যান। সকাল ৯টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হলে একটি বজ্র শফিকুলের ওপর আঘাত হানে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
শফিকুল ছিলেন পরিবারের অন্যতম উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। হাঁস পালন করে কষ্টের আয়ে তিনি সংসার চালাতেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
মেন্দিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হাকিম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। শফিকুল তার পরিবারের ভরসা ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।’
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন জানান, তিনি দাপ্তরিক কাজে রানীচাপুরে অবস্থান করছেন। কাজ শেষ করে সাতগাঁও গ্রামে গিয়ে নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নেবেন।
খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অলিদুজ্জামান বলেন, ‘বজ্রপাতে শফিকুলের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিহতের দাফন-কাফনের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি সরকারি ত্রাণ তহবিল থেকে শুকনো খাবারও দেওয়া হবে।’
বর্ষা মৌসুমে হাওরাঞ্চলে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ সময় বৈরী আবহাওয়া ও আকাশ মেঘলা থাকলে হাওরে না যাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সতর্ক করে আসছেন।

আপনার মতামত লিখুন