ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. নূরশেদের মা সেতারা বেগম তৃতীয় পর্যায়ের স্টোমাক ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। মায়ের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছে পরিবারটি। এ অবস্থায় চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন নূরশেদ।
গত ১৯ আগস্ট বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেতারা বেগমের ক্যানসার শনাক্ত হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে তাকে ছয়টি কেমোথেরাপি দিতে হবে। প্রতিটি কেমোথেরাপিতে ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ প্রায় ৪৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এরই মধ্যে একটি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তী সময়ে লেজার থেরাপি ও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে, যার সম্ভাব্য ব্যয় ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা বা তারও বেশি। সব মিলিয়ে চিকিৎসা সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে।
কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী গ্রামের নূরশেদের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী তার প্রবাসী বড় ভাই। বয়সের কারণে বাবা আব্দুল মালেকও বর্তমানে কাজ করতে পারছেন না।
নূরশেদ বলেন, পরিবারের সীমিত সামর্থ্যের কারণে আপাতত বাংলাদেশেই মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কঠিন সময়ে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে মায়ের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান তিনি।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম : বিকাশ/নগদ : ০১৮৭৮-৩৮১০৩৪ব্যাংক: সিটি ব্যাংক, পাঁচ রাস্তার মোড় শাখা, কুষ্টিয়াহিসাব নম্বর: ১৫১১৭৮১৮৩০০০২৬৩৫ রাউটিং নম্বর: ২২৫৫০০৯৪৩

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. নূরশেদের মা সেতারা বেগম তৃতীয় পর্যায়ের স্টোমাক ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। মায়ের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছে পরিবারটি। এ অবস্থায় চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন নূরশেদ।
গত ১৯ আগস্ট বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেতারা বেগমের ক্যানসার শনাক্ত হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে তাকে ছয়টি কেমোথেরাপি দিতে হবে। প্রতিটি কেমোথেরাপিতে ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ প্রায় ৪৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এরই মধ্যে একটি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তী সময়ে লেজার থেরাপি ও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে, যার সম্ভাব্য ব্যয় ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা বা তারও বেশি। সব মিলিয়ে চিকিৎসা সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে।
কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী গ্রামের নূরশেদের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী তার প্রবাসী বড় ভাই। বয়সের কারণে বাবা আব্দুল মালেকও বর্তমানে কাজ করতে পারছেন না।
নূরশেদ বলেন, পরিবারের সীমিত সামর্থ্যের কারণে আপাতত বাংলাদেশেই মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কঠিন সময়ে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে মায়ের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান তিনি।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম : বিকাশ/নগদ : ০১৮৭৮-৩৮১০৩৪ব্যাংক: সিটি ব্যাংক, পাঁচ রাস্তার মোড় শাখা, কুষ্টিয়াহিসাব নম্বর: ১৫১১৭৮১৮৩০০০২৬৩৫ রাউটিং নম্বর: ২২৫৫০০৯৪৩

আপনার মতামত লিখুন