চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) স্যার এএফ রহমান হলের সিঁড়ির ছাদ থেকে কংক্রিটের অংশ খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে হলের বারান্দার ছাদ থেকে হঠাৎ করে কংক্রিটের একটি বড় অংশ খসে নিচে পড়ে।
শিক্ষার্থীরা জানান, ভবনের বারান্দা ও সিঁড়ি সংলগ্ন ছাদের একটি বড় অংশ থেকে কংক্রিটের স্তর খসে নিচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে। ভারী অংশটি নিচে পড়ার সময় সেখানে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে ওই সময় শিক্ষার্থীরা সেখানে থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রায়ই ছাদ থেকে কংক্রিটের অংশ খসে পড়ছে। এতে হলের বিভিন্ন অংশে চলাচলের সময় আতঙ্কে থাকতে হয় তাদের।
এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, “ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রায় সময়ই ছাদ থেকে কংক্রিটের অংশ খসে পড়ে। কখন মাথার ওপর ছাদ ভেঙে পড়ে, সেই আতঙ্কে থাকতে হয়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ এফ রহমান হলের যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক হাসান ওয়াসি বলেন, “আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। প্রভোস্ট স্যারের সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে কথা বলব।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীন ছাত্র আবাসিক হলগুলোর একটি।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) স্যার এএফ রহমান হলের সিঁড়ির ছাদ থেকে কংক্রিটের অংশ খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে হলের বারান্দার ছাদ থেকে হঠাৎ করে কংক্রিটের একটি বড় অংশ খসে নিচে পড়ে।
শিক্ষার্থীরা জানান, ভবনের বারান্দা ও সিঁড়ি সংলগ্ন ছাদের একটি বড় অংশ থেকে কংক্রিটের স্তর খসে নিচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে। ভারী অংশটি নিচে পড়ার সময় সেখানে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে ওই সময় শিক্ষার্থীরা সেখানে থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রায়ই ছাদ থেকে কংক্রিটের অংশ খসে পড়ছে। এতে হলের বিভিন্ন অংশে চলাচলের সময় আতঙ্কে থাকতে হয় তাদের।
এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, “ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রায় সময়ই ছাদ থেকে কংক্রিটের অংশ খসে পড়ে। কখন মাথার ওপর ছাদ ভেঙে পড়ে, সেই আতঙ্কে থাকতে হয়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ এফ রহমান হলের যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক হাসান ওয়াসি বলেন, “আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। প্রভোস্ট স্যারের সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে কথা বলব।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীন ছাত্র আবাসিক হলগুলোর একটি।

আপনার মতামত লিখুন