কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) জেলা এনসিপির দায়িত্বশীলদের উপস্থিতি ও স্বাক্ষরে এই নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক কমিটির সম্মানিত আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির এবং সদস্য সচিব এ. কে. এম. আরিফুর রহমান বাবু যৌথ স্বাক্ষরে এই ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট পাকুন্দিয়া উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেন।
নবগঠিত কমিটিতে রাজিন সালেহকে আহ্বায়ক এবং খলিলুর রহমান মুজাহিদকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নিয়োগ পেয়েছেন রাকিবুল ইসলাম ও মো. অলিউল্লাহ। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে নাইমুল ইসলাম পরাগকে। ঘোষিত এই কমিটিতে চিকিৎসক, শিক্ষক, প্রকৌশলীসহ সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী ও সর্বস্তরের প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিগণ স্থান পেয়েছেন।
কমিটি ঘোষণার পর নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বাস ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, নতুন নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতাকে একসাথে কাজে লাগিয়ে পাকুন্দিয়ায় দলকে সুসংগঠিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।
নতুন কমিটির আহ্বায়ক রাজিন সালেহ ও সদস্য সচিব খলিলুর রহমান মুজাহিদ বলেন, "আজকের নবগঠিত নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে একটি নতুন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। খুব শিগগিরই নতুন কমিটির সকল দায়িত্বশীলকে নিয়ে পরিচিতি সভা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণী বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।"
কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, "আজকের তরুণ সমাজই আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনকে যেভাবে রাজপথের লড়াইয়ের মাধ্যমে তরুণেরা ধূলিসাৎ করেছে, একইভাবে একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তেও তারাই নেতৃত্ব দেবে ইনশাআল্লাহ।"
নবগঠিত কমিটির সকল দায়িত্বশীল সদস্য জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে আগামীর নতুন বাংলাদেশ গঠনে রাজপথে এবং সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) জেলা এনসিপির দায়িত্বশীলদের উপস্থিতি ও স্বাক্ষরে এই নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক কমিটির সম্মানিত আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির এবং সদস্য সচিব এ. কে. এম. আরিফুর রহমান বাবু যৌথ স্বাক্ষরে এই ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট পাকুন্দিয়া উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেন।
নবগঠিত কমিটিতে রাজিন সালেহকে আহ্বায়ক এবং খলিলুর রহমান মুজাহিদকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নিয়োগ পেয়েছেন রাকিবুল ইসলাম ও মো. অলিউল্লাহ। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে নাইমুল ইসলাম পরাগকে। ঘোষিত এই কমিটিতে চিকিৎসক, শিক্ষক, প্রকৌশলীসহ সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী ও সর্বস্তরের প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিগণ স্থান পেয়েছেন।
কমিটি ঘোষণার পর নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বাস ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, নতুন নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতাকে একসাথে কাজে লাগিয়ে পাকুন্দিয়ায় দলকে সুসংগঠিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।
নতুন কমিটির আহ্বায়ক রাজিন সালেহ ও সদস্য সচিব খলিলুর রহমান মুজাহিদ বলেন, "আজকের নবগঠিত নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে একটি নতুন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। খুব শিগগিরই নতুন কমিটির সকল দায়িত্বশীলকে নিয়ে পরিচিতি সভা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণী বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।"
কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, "আজকের তরুণ সমাজই আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনকে যেভাবে রাজপথের লড়াইয়ের মাধ্যমে তরুণেরা ধূলিসাৎ করেছে, একইভাবে একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তেও তারাই নেতৃত্ব দেবে ইনশাআল্লাহ।"
নবগঠিত কমিটির সকল দায়িত্বশীল সদস্য জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে আগামীর নতুন বাংলাদেশ গঠনে রাজপথে এবং সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন