বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

লাইফ স্টাইল

রাতে তরমুজ খাওয়া ক্ষতিকর?

রাতে তরমুজ খাওয়া ক্ষতিকর?
তরমুজ। ছবি: সংগৃহীত

তরমুজ শরীরকে সতেজ রাখে, কারণ এর ৯৪ শতাংশই পানি। এছাড়া এতে রয়েছে লাইকোপেন, পটাশিয়াম এবং প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উপকারী ফলটিই আপনার জন্য যন্ত্রণার কারণ হতে পারে যদি তা ভুল সময়ে খাওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্ধ্যা ৭টার পর তরমুজ বা অন্য কোনো ফল না খাওয়াই ভালো। এর প্রধান কারণগুলো হলো:

তরমুজ সামান্য অম্লীয় (অ্যাসিডিক)। রাতে শরীরের বিপাকীয় হার কমে যায়, ফলে এটি হজম হতে দেরি হয় এবং পেটে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।

তরমুজে পানির পরিমাণ অনেক বেশি। ঘুমানোর আগে এটি খেলে রাতে বারবার বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে, যা আপনার গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়।

যাদের হজমশক্তি কিছুটা সংবেদনশীল, রাতে তরমুজ খেলে তাদের পরের দিন সকালে পেট ভারি লাগা বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পুষ্টিবিদদের মতে, তরমুজ খাওয়ার সেরা সময় হলো দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে। এই সময়ে আমাদের শরীরের হজম প্রক্রিয়া সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে, ফলে তরমুজের পুষ্টিগুণ শরীর পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারে।

পুষ্টিবিদরা নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য তরমুজ খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছেন:

যাদের হজমশক্তি দুর্বল বা আইবিএস-এর সমস্যা আছে।

যাদের নিয়মিত গ্যাস বা পেট ফাঁপার প্রবণতা রয়েছে।

যেহেতু এতে প্রাকৃতিক চিনি রয়েছে, তাই পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

রাতের ভারী খাবারের ঠিক পরেই তরমুজ খাওয়া একদমই উচিত নয়।

তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং নিরাপদ একটি ফল। তবে এর পূর্ণ সুবিধা পেতে রাতের অভ্যাস ত্যাগ করে দিনের বেলা হালকা খাবার বা স্ন্যাকস হিসেবে এটি উপভোগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

পুষ্টি স্বাস্থ্য তরমুজ হজম

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


রাতে তরমুজ খাওয়া ক্ষতিকর?

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

তরমুজ শরীরকে সতেজ রাখে, কারণ এর ৯৪ শতাংশই পানি। এছাড়া এতে রয়েছে লাইকোপেন, পটাশিয়াম এবং প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উপকারী ফলটিই আপনার জন্য যন্ত্রণার কারণ হতে পারে যদি তা ভুল সময়ে খাওয়া হয়।


বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্ধ্যা ৭টার পর তরমুজ বা অন্য কোনো ফল না খাওয়াই ভালো। এর প্রধান কারণগুলো হলো:

তরমুজ সামান্য অম্লীয় (অ্যাসিডিক)। রাতে শরীরের বিপাকীয় হার কমে যায়, ফলে এটি হজম হতে দেরি হয় এবং পেটে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।


তরমুজে পানির পরিমাণ অনেক বেশি। ঘুমানোর আগে এটি খেলে রাতে বারবার বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে, যা আপনার গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়।


যাদের হজমশক্তি কিছুটা সংবেদনশীল, রাতে তরমুজ খেলে তাদের পরের দিন সকালে পেট ভারি লাগা বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।


পুষ্টিবিদদের মতে, তরমুজ খাওয়ার সেরা সময় হলো দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে। এই সময়ে আমাদের শরীরের হজম প্রক্রিয়া সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে, ফলে তরমুজের পুষ্টিগুণ শরীর পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারে।


পুষ্টিবিদরা নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য তরমুজ খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছেন:

যাদের হজমশক্তি দুর্বল বা আইবিএস-এর সমস্যা আছে।

যাদের নিয়মিত গ্যাস বা পেট ফাঁপার প্রবণতা রয়েছে।

যেহেতু এতে প্রাকৃতিক চিনি রয়েছে, তাই পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

রাতের ভারী খাবারের ঠিক পরেই তরমুজ খাওয়া একদমই উচিত নয়।


তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং নিরাপদ একটি ফল। তবে এর পূর্ণ সুবিধা পেতে রাতের অভ্যাস ত্যাগ করে দিনের বেলা হালকা খাবার বা স্ন্যাকস হিসেবে এটি উপভোগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী
নির্বাহী সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা