পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় মানবিকতা ও পারিবারিক সম্পর্কের চরম অবক্ষয়ের এক বীভৎস চিত্র ফুটে উঠেছে। নিজ শ্বশুরের লালসার শিকার হয়ে এক গৃহবধূর সন্তান প্রসব এবং পরদিনই সেই নবজাতক রহস্যজনকভাবে উধাও হওয়ার ঘটনায় পুরো জেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ রাতে গলাচিপার ডাকুয়া ইউনিয়নের ওই গৃহবধূর ঘরে ঢুকে শ্বশুর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এই ধারাবাহিক পৈশাচিকতার শিকার হয়ে একপর্যায়ে ওই গৃহবধূ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
সবশেষ গত ২৬ শে মার্চ (রোববার) রাতে গলাচিপা পৌরসভার একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে ওই গৃহবধূ এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু সন্তান জন্মের আনন্দ বিষাদে রূপ নেয় পরদিন সকালেই। অভিযোগ উঠেছে, ২৭শে মার্চ সকালে ক্লিনিক থেকেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা নবজাতক শিশুটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। জন্মদাত্রী মায়ের কোল খালি করে শিশুটির এই অন্তর্ধান পুরো ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তৎপর হয় পুলিশ। এ বিষয়ে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। মামলার প্রধান অভিযুক্ত শ্বশুরকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং নিখোঁজ নবজাতককে উদ্ধারে আমাদের তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পারিবারিক সম্পর্কের এই চরম অবক্ষয় ও অমানবিক ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে বইছে নিন্দার ঝড়। সমাজকর্মীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং অপহৃত নবজাতককে দ্রুত উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় মানবিকতা ও পারিবারিক সম্পর্কের চরম অবক্ষয়ের এক বীভৎস চিত্র ফুটে উঠেছে। নিজ শ্বশুরের লালসার শিকার হয়ে এক গৃহবধূর সন্তান প্রসব এবং পরদিনই সেই নবজাতক রহস্যজনকভাবে উধাও হওয়ার ঘটনায় পুরো জেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ রাতে গলাচিপার ডাকুয়া ইউনিয়নের ওই গৃহবধূর ঘরে ঢুকে শ্বশুর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এই ধারাবাহিক পৈশাচিকতার শিকার হয়ে একপর্যায়ে ওই গৃহবধূ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
সবশেষ গত ২৬ শে মার্চ (রোববার) রাতে গলাচিপা পৌরসভার একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে ওই গৃহবধূ এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু সন্তান জন্মের আনন্দ বিষাদে রূপ নেয় পরদিন সকালেই। অভিযোগ উঠেছে, ২৭শে মার্চ সকালে ক্লিনিক থেকেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা নবজাতক শিশুটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। জন্মদাত্রী মায়ের কোল খালি করে শিশুটির এই অন্তর্ধান পুরো ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তৎপর হয় পুলিশ। এ বিষয়ে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। মামলার প্রধান অভিযুক্ত শ্বশুরকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং নিখোঁজ নবজাতককে উদ্ধারে আমাদের তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পারিবারিক সম্পর্কের এই চরম অবক্ষয় ও অমানবিক ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে বইছে নিন্দার ঝড়। সমাজকর্মীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং অপহৃত নবজাতককে দ্রুত উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন