সারাদেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও আজ মঙ্গলবার থেকে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা। জেলার ৪টি উপজেলার মোট ২৯টি কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা এই পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ বছর চুয়াডাঙ্গা জেলায় মোট ১১ হাজার ৭৬৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছে। এর মধ্যে সাধারণ এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। ২৯টি কেন্দ্রের বিন্যাস নিম্নরূপ:
সাধারণ এসএসসি এর ১৯টি কেন্দ্রে ৮ হাজার ৯৭২ জন।
এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ৫টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৬৪২ জন।
দাখিল (মাদরাসা) ৫টি কেন্দ্রে ১ হাজার ১৫২ জন।
উপজেলাভিত্তিক কেন্দ্র ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় দেখা যায়, আলমডাঙ্গা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর চাপ সবচেয়ে বেশি। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা সদর, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলার সরকারি-বেসরকারি প্রধান স্কুলগুলোতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষার প্রসারে এ বছর ভোকেশনাল শাখা থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে চুয়াডাঙ্গা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৩৫ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।
পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১৪৪ ধারা জারি, প্রতিটি কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কারো মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। কেন্দ্র সচিবও কেবল সাধারণ (নন-অ্যান্ড্রয়েড) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে পরীক্ষা চলাকালীন জেলার সকল ফটোকপি মেশিনের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতার কথা বিবেচনা করে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে প্রতিটি কেন্দ্রে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা টিম গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রে প্রবেশের আগে পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি করা হচ্ছে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথম দিনের পরীক্ষা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম রোধে প্রশাসন সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও আজ মঙ্গলবার থেকে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা। জেলার ৪টি উপজেলার মোট ২৯টি কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা এই পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ বছর চুয়াডাঙ্গা জেলায় মোট ১১ হাজার ৭৬৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছে। এর মধ্যে সাধারণ এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। ২৯টি কেন্দ্রের বিন্যাস নিম্নরূপ:
সাধারণ এসএসসি এর ১৯টি কেন্দ্রে ৮ হাজার ৯৭২ জন।
এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ৫টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৬৪২ জন।
দাখিল (মাদরাসা) ৫টি কেন্দ্রে ১ হাজার ১৫২ জন।
উপজেলাভিত্তিক কেন্দ্র ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় দেখা যায়, আলমডাঙ্গা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর চাপ সবচেয়ে বেশি। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা সদর, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলার সরকারি-বেসরকারি প্রধান স্কুলগুলোতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষার প্রসারে এ বছর ভোকেশনাল শাখা থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে চুয়াডাঙ্গা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৩৫ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।
পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১৪৪ ধারা জারি, প্রতিটি কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কারো মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। কেন্দ্র সচিবও কেবল সাধারণ (নন-অ্যান্ড্রয়েড) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে পরীক্ষা চলাকালীন জেলার সকল ফটোকপি মেশিনের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতার কথা বিবেচনা করে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে প্রতিটি কেন্দ্রে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা টিম গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রে প্রবেশের আগে পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি করা হচ্ছে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথম দিনের পরীক্ষা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম রোধে প্রশাসন সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন