ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জাতীয় পতাকা সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শাখা ছাত্রদলের এক কর্মীই প্রথম ব্যানারটি ছিঁড়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপিপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তারা দোষীদের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
গত ১৫ এপ্রিল সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করছিলেন ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন। এ সময় ভেতরে আটকে থাকা এক কর্মচারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও ফুটেজ অনুযায়ী, ওই কর্মচারী গালিগালাজ করে ভবনের ফটকে থাকা ব্যানারের পেছনে গিয়ে আশ্রয় নেন। এসময় তাকে খুঁজতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদল কর্মী তানভীর আহমেদ সতেজ প্রথম ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলেন। তার সাথে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আফ্রিদি হাসানসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী ব্যানার ছিঁড়তে অংশ নেন।
ব্যানার ছেঁড়ার এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ এবং ইউট্যাব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা এর প্রতিবাদ জানান। তবে ভিডিওতে ছাত্রদল কর্মীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ সতেজ বলেন, "একজন কর্মচারী আমাদের গালি দিয়ে ব্যানারের পেছনে লুকিয়ে ছিল। তাকে দেখতে না পেয়ে রাগের মাথায় ব্যানারটি খুলে ফেলা হয়। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।"
শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, "আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছিল এবং আমরা তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। সতেজ আমাদের পরিচিত এবং দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নেয়।"

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জাতীয় পতাকা সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শাখা ছাত্রদলের এক কর্মীই প্রথম ব্যানারটি ছিঁড়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপিপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তারা দোষীদের শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
গত ১৫ এপ্রিল সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করছিলেন ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন। এ সময় ভেতরে আটকে থাকা এক কর্মচারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও ফুটেজ অনুযায়ী, ওই কর্মচারী গালিগালাজ করে ভবনের ফটকে থাকা ব্যানারের পেছনে গিয়ে আশ্রয় নেন। এসময় তাকে খুঁজতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদল কর্মী তানভীর আহমেদ সতেজ প্রথম ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলেন। তার সাথে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আফ্রিদি হাসানসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী ব্যানার ছিঁড়তে অংশ নেন।
ব্যানার ছেঁড়ার এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ এবং ইউট্যাব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা এর প্রতিবাদ জানান। তবে ভিডিওতে ছাত্রদল কর্মীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ সতেজ বলেন, "একজন কর্মচারী আমাদের গালি দিয়ে ব্যানারের পেছনে লুকিয়ে ছিল। তাকে দেখতে না পেয়ে রাগের মাথায় ব্যানারটি খুলে ফেলা হয়। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।"
শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, "আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছিল এবং আমরা তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। সতেজ আমাদের পরিচিত এবং দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নেয়।"

আপনার মতামত লিখুন