নরসিংদীতে অবৈধ জ্বালানি মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। এ সময় বেআইনিভাবে তেল মজুতের অপরাধে দুই ব্যক্তিকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের মূলপাড়া এলাকায় এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাঈম হাসান শুভ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কলিমুল্লাহ’র নেতৃত্বে এই ঝটিকা অভিযান চলে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে মূলপাড়া এলাকার ‘নূর নাবিলা সাইজিং মিল’-এ হানা দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখানে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুত করা অবস্থায় পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলেই নূর নাবিলা প্রিন্টিং প্রেসের মালিক জহিরুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা এবং কমল হাসান নামক অপর এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। দণ্ডপ্রাপ্তরা তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।
উদ্ধারকৃত ৯ হাজার লিটার ডিজেল তাৎক্ষণিকভাবে বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপর মাধবদীর ভগিরতপুর এলাকার এম কে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে মোট ৮ লাখ ৪৭ হাজার ৫১০ টাকায় ওই তেল বিক্রি করা হয়। বিক্রয়লব্ধ সম্পূর্ণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে প্রশাসন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাঈম হাসান শুভ জানান, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ মজুত রোধে জনস্বার্থে এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
নরসিংদীতে অবৈধ জ্বালানি মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। এ সময় বেআইনিভাবে তেল মজুতের অপরাধে দুই ব্যক্তিকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের মূলপাড়া এলাকায় এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাঈম হাসান শুভ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কলিমুল্লাহ’র নেতৃত্বে এই ঝটিকা অভিযান চলে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে মূলপাড়া এলাকার ‘নূর নাবিলা সাইজিং মিল’-এ হানা দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখানে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুত করা অবস্থায় পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলেই নূর নাবিলা প্রিন্টিং প্রেসের মালিক জহিরুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা এবং কমল হাসান নামক অপর এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। দণ্ডপ্রাপ্তরা তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।
উদ্ধারকৃত ৯ হাজার লিটার ডিজেল তাৎক্ষণিকভাবে বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপর মাধবদীর ভগিরতপুর এলাকার এম কে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে মোট ৮ লাখ ৪৭ হাজার ৫১০ টাকায় ওই তেল বিক্রি করা হয়। বিক্রয়লব্ধ সম্পূর্ণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে প্রশাসন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাঈম হাসান শুভ জানান, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ মজুত রোধে জনস্বার্থে এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন