নওগাঁর নিয়ামতপুরে জমসের আলী (১৮) নামের এক কলেজছাত্রের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের চক দেউলিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত জমসের আলী ওই গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে। সে মান্দা মমিন শাহানা কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত জমসের আলী দীর্ঘ দিন ধরে একাকিত্বে ভুগছিলেন। গতকাল রাতে পরিবারের সবার সাথে রাতের খাবার খেয়ে তিনি নিজের শয়নকক্ষে ঘুমাতে যান। আজ সকালে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
নিহতের বাবা শাহজাহান আলী শোকাহত কণ্ঠে বলেন, "ছেলেটা অনেকদিন ধরেই একা একা থাকতে পছন্দ করত। রাতে খাওয়া-দাওয়া করে নিজের ঘরে ঘুমাতে গেল, কিন্তু সকালে আর জ্যান্ত পাওয়া গেল না।"
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান (পিপিএম) জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুরে জমসের আলী (১৮) নামের এক কলেজছাত্রের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের চক দেউলিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত জমসের আলী ওই গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে। সে মান্দা মমিন শাহানা কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত জমসের আলী দীর্ঘ দিন ধরে একাকিত্বে ভুগছিলেন। গতকাল রাতে পরিবারের সবার সাথে রাতের খাবার খেয়ে তিনি নিজের শয়নকক্ষে ঘুমাতে যান। আজ সকালে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
নিহতের বাবা শাহজাহান আলী শোকাহত কণ্ঠে বলেন, "ছেলেটা অনেকদিন ধরেই একা একা থাকতে পছন্দ করত। রাতে খাওয়া-দাওয়া করে নিজের ঘরে ঘুমাতে গেল, কিন্তু সকালে আর জ্যান্ত পাওয়া গেল না।"
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান (পিপিএম) জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন