বিপ্লবী বার্তা
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নে জলবায়ু পরিবর্তন ও নদী ভাঙনের শিকার জনগনের ভুমির অধিকার নিশ্চিত করণে ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকাল ৪টায় চরকলিগ্রামে মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে এবং সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সহায়তায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: ছিরু মিয়ার সভাপতিত্বে এবং সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সভারজ্ঞন সিকদারের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র-সহ সভাপতি হাফিজুর রহমান, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক কাজী মো: ওহিদুল ইসলাম, বানিয়াচর সেন্ট মাইকেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক প্রেমানন্দ হালদার।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের কো- অডিনেটর মাসুম বিল্লাহ সোহাগ,জলিরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুবত মন্ডল,মুকসুদপুর প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,সামচুল আরেফিন, হুসাইন আহম্মেদ কবির, দপ্তর সম্পাদক পরেশ বিশ্বাস,ত্রুীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ বাবুল হোসেন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইসমাইল হোসেন পান্নু এবং নদী ভাঙ্গনের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন বিশ্বজিৎ বৈরাগী,অমৃত রায়,পলিনা বাড়ৈ,শিখা হালদার, প্রীতি দাস,কানন ঢালী,মিল্টন বৈরাগী,পূজা বিশ্বাস ও ঝরনা দাস প্রমূখ।
সভায় ক্ষতিগ্রস্ত নদী ভাঙ্গনের পক্ষের বক্তারা বলেন, আমরা গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের চর কলিগ্রাম বাসিন্দা। নদী ভাঙ্গনের কারণে আমরা আমাদের বসতবাড়ি হারিয়েছি নদীতে। কিন্তু তার পরিবর্তে আমরা নদীর অপর পাড়ে চড়ে এসে বসবাস করছি। আমাদের পরিবারগুলো ৬০ থেকে ৭০ বছর যাবত এখানে বসবাস করে। কিন্তু এই ভূমির উপর এখনো আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়নি। আমরা যখন ঘর উঠাতে যাই বিভিন্ন ধরনের লোকজন এসে আমাদেরকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। আমাদের কাজ থেকে টাকা পয়সা নেয়। একটা গাছ লাগিয়ে সেটা কাটতে গেলে কিংবা বিক্রি করতে গেলে আমরা বাধা পাই অথবা টাকা দিয়ে আমাদেরকে ফয়সালা করতে হয়। আমরা কোন বিল্ডিং বাড়ি কিংবা কোন টয়লেট করতে গেলে বাধা গ্রস্ত হই। বিভিন্ন দৌরত্ব সৃষ্টি হয় আমাদের উপর। কিছু কিছু ভুয়া সাংবাদিক, কিছু কিছু রাজনীতিক নামধারী লোকজন আমাদের হয়রানি করে। সরকারের প্রশাসনের কাছে আমরা এই অবস্থার অবসান চাই এবং এই জমি আমাদের কারণ আমরা আমাদের জমি হারিয়েছি নদীতে পরিবর্তে আমরা এই চর পেয়েছি। সুতরাং আমাদের এই জায়গা গুলি আমরা যারা যারা যেভাবে ঘরবাড়ি উত্তোলন করে বসবাস করে আসছি সেভাবে আমাদেরকে স্থায়ী বন্দোবস্ত করে দিতে হবে।

