সাভারে ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করলেন ভূমি সচিব
ভূমিসেবা আরও সহজ, আধুনিক ও জনবান্ধব করতে সাভারে সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টায় তিনি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন জমি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জানান, সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পটি ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে।তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস একই ভবনে স্থানান্তর করা হবে। ফলে ভূমি জরিপ, নামজারি (মিউটেশন) এবং অন্যান্য ভূমিসেবা এক ছাদের নিচেই সহজে পাবেন সাধারণ মানুষ।স্থান পরিদর্শন শেষে সিনিয়র সচিব সাভার উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে কর্মকর্তাদের যথাসময়ে উপস্থিতি এবং অফিসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।পরিদর্শনকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং সাধারণ দাবির শতভাগ আদায় সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সিনিয়র সচিব মিউটেশনসহ সব ধরনের ভূমিসেবা হয়রানিমুক্ত, দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেন।পরে তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের চলমান হোল্ডিং ও খতিয়ান ডেটা এন্ট্রি এবং তথ্য সংশোধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহযোগিতায় দেশের সব হোল্ডিং ও খতিয়ানের তথ্য ডিজিটাল ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত এবং বিদ্যমান ত্রুটি সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে।তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আটটি জেলায় পাইলট কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেটা এন্ট্রির কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এতে ভূমিসেবা আরও সহজ, স্বয়ংক্রিয় ও জনবান্ধব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি আমিনবাজার উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। সেখানে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের অগ্রগতি ও সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন।এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, আমিনবাজারে সাধারণ দাবির ৮৮ শতাংশ ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হয়েছে। সিনিয়র সচিব শতভাগ কর আদায় নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি মিউটেশনসহ সব ধরনের ভূমিসেবা যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।