বাগেরহাটে জেন্ডার বৈষম্য দূরীকরণে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত
নেতিবাচক
জেন্ডার স্টেরিওটাইপ মোকাবিলা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাগেরহাটে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার
(১৩ অক্টোবর) বাগেরহাট শহরের হোটেল ধানসিঁড়িতে ‘সমতায় তারুণ্য: ইয়ুথ ফর ইক্যুয়ালিটি’ প্রকল্পের
আওতায় জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল
বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং অভিযান যুব সংগঠনের আয়োজনে এ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
হয়।অনুষ্ঠানে
স্থানীয় প্রশাসন, সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, সুশীল সমাজ, শিক্ষক, সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতা, নারী উদ্যোক্তা ও যুব প্রতিনিধিরা
অংশ নেন। এতে সভাপতিত্ব করেন অভিযান যুব সংগঠনের সভাপতি সুমিত ভট্টাচার্য।বিশেষ
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান, বাগেরহাট প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি এসএম রাজ, বাগেরহাট উমাম সমিতির সহসভাপতি মো. মোবারক হুসাইন, বাসাবাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খুরশিদা রহমান জুঁই, জাগো ফাউন্ডেশনের টিম মেম্বার তাবাসসুম ফেরদৌসি এবং সাংবাদিক সৈয়দ শওকত হোসেন ও কামরুজ্জামান শিমুলসহ
অন্যরা।এ
ছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা
অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযান যুব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক দীপ্ত দে এবং সংগঠনের
অন্যান্য সদস্যও এতে অংশ নেন।আলোচনায়
সমাজে প্রচলিত নেতিবাচক জেন্ডারভিত্তিক ধারণা, সামাজিক কুসংস্কার, নারী-পুরুষের বৈষম্য এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি নারী ও কিশোরীদের অধিকার,
মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত
করতে স্থানীয় প্রশাসন, সরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।বক্তারা
বলেন, জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বিকাশ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জরুরি। তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত উদ্যোগ
সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য এবং নেতিবাচক সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।আয়োজকেরা
জানান, এ ধরনের অ্যাডভোকেসি
ডায়ালগ স্থানীয় পর্যায়ে জেন্ডারভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত করা, অংশীজনদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ তৈরি করে।
বৈষম্যহীন,
নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে
সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।