মুকসুদপুরবাসীর স্বপ্ন পূরণ, কাল থেকে স্টেশনে যাত্রাবিরতি
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে বাস্তবায়িত হচ্ছে মুকসুদপুর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি। আগামীকাল ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার), অর্থাৎ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই ঢাকা-বেনাপোল রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর ‘রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস’ (৮২৭/৮২৮) এই স্টেশনে ২ মিনিটের জন্য যাত্রা শুরু করবে।রেলওয়ে পশ্চিম অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজারের পক্ষে সহকারী চীফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পি) মো. আব্দুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এক দপ্তরাদেশের (নং- ২১২) মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।নতুন সময়সূচী অনুযায়ী, ৮২৭ নম্বর ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে এসে দুপুর ১২:০৭ মিনিটে মুকসুদপুর স্টেশনে পৌঁছাবে এবং ১২:০৯ মিনিটে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। একইভাবে ঢাকা অভিমুখী ট্রেনের ক্ষেত্রেও এই যাত্রাবিরতি কার্যকর হবে।এলাকাবাসীর কাঙ্ক্ষিত এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি মুকসুদপুর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ নিশ্চিত করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট জোরালো দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তাঁর এই প্রচেষ্টার ফলে কাল থেকেই এই সুবিধা পেতে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।মুকসুদপুর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ ঢাকা ও বেনাপোলের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং চাকরির প্রয়োজনে নিয়মিত যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।এদিকে রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত হওয়ায় এলাকাবাসী আনন্দিত হলেও, সকালে খুলনা থেকে ঢাকাগামী ‘জাহানাবাদ এক্সপ্রেস’ ট্রেনের যাত্রাবিরতির জন্য পুনরায় দাবি জানিয়েছেন তারা। স্থানীয়রা জানান, জাহানাবাদ এক্সপ্রেসটি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মুকসুদপুর অতিক্রম করে। এই ট্রেনটি এখানে থামলে কর্মজীবী মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সঠিক সময়ে ঢাকায় পৌঁছাতে পারতেন। রূপসী বাংলার মতো জাহানাবাদ এক্সপ্রেসের স্টপেজ পেতেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।