৮৬ গবেষণা প্রস্তাব পেরিয়ে ফাইনালে সিইউবির ‘সিস অ্যালায়েন্স’
ইউএপি রিসার্চ এক্সপো ২.০ এর ফাইনালে সিইউবি পাবলিক হেলথের ‘সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড সায়েন্স অ্যালায়েন্স’ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় প্রতিযোগিতা 'রিসার্চ এক্সপো ২.০'-এর রিসার্চ প্রপোজাল সেগমেন্টে ফাইনাল রাউন্ড পর্যন্ত পৌঁছানোর গৌরব অর্জন করেছে ক্যানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (সিইউবি)-এর পাবলিক হেলথ বিভাগের শিক্ষার্থীদের দল ‘সোশ্যাল ইম্প্যাক্ট অ্যান্ড সাইন্স অ্যালায়েন্স’ (সিস অ্যালায়েন্স / SIS Alliance)।পাবলিক হেলথ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার জনাব নাইমুল ইসলাম-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সুপারভিশনে দলনেতা শাহানুর আক্তার সেতুর নেতৃত্বে এবং দলের অন্য দুই সদস্য আকবর হোসেন শান্ত ও জামিল আহমেদ রাহাদের যৌথ প্রচেষ্টায় সিইউবি-র দলটি প্রতিযোগিতায় প্রশংসনীয় পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে।প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে দেশব্যাপী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জমা পড়া প্রায় ৮৬টি রিসার্চ প্রপোজালের মধ্য থেকে সেরা ২৫-এ স্থান করে নেয় ‘সিস অ্যালায়েন্স’। পরবর্তীতে দ্বিতীয় রাউন্ডে পোস্টার প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে চমৎকার পারফরম্যান্স দেখিয়ে দলটি স্থান করে নেয় ফাইনাল রাউন্ডের ২৫টি টিমের তালিকায়।উল্লেখ্য, ফাইনাল রাউন্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২৫টি দলের মধ্যে প্রায় ২৩টি দলই ছিল সিএসই (CSE) ও ট্রিপল-ই (EEE)-সহ বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি-নির্ভর বিভাগের। এমন টেকনিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ডের প্রতিযোগীদের মাঝে পাবলিক হেলথ বিভাগ থেকে গিয়ে একটি হেলথ-ভিত্তিক রিসার্চ প্রপোজাল সফলভাবে উপস্থাপন করে সবার নজর কাড়ে দলটি।চূড়ান্ত রাউন্ডে বিজয়ী হতে না পারলেও এই পুরো জার্নিটিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, ফাইনাল রাউন্ডে কাঙ্ক্ষিত জয় না আসলেও ভিন্ন ডোমেইনের প্রতিযোগীদের সাথে অংশ নিয়ে তারা দারুণ কিছু অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পেশাদারিত্ব ও গবেষণার নানা কৌশল শিখতে পেরেছেন। ভবিষ্যতে এই রিসার্চ প্রপোজালটি নিয়ে তারা আরও কাজ করবেন এবং অর্জিত এই শিক্ষা আগামীতে অন্য যেকোনো প্ল্যাটফর্মে বিজয়ী হতে সাহায্য করবে। নিজেদের বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে ফাইনাল মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে তারা অত্যন্ত গর্বিত।শিক্ষার্থীদের এই অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করে সুপারভাইজর ও সিইউবি পাবলিক হেলথ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার জনাব নাইমুল ইসলাম বলেন, "শিক্ষার্থীরা মূলত শেখার উদ্দেশ্যেই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। ডোমেইন যা-ই হোক না কেন—‘রিসার্চ ইজ অলওয়েজ রিসার্চ’। তারা এখানে চিন্তা করতে, নতুন কিছু শিখতে এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পেরেছে। পুরো আয়োজনে শিক্ষার্থীরা যে পরিশ্রম ও প্রচেষ্টা দিয়েছে, শিক্ষক হিসেবে আমি তাদের নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে তারা আরও ভালো কাজ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"পাবলিক হেলথ বিভাগ এবং ক্যানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ফাইনাল পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এই লড়াকু অংশগ্রহণ ও শেখার মানসিকতাকে সাধুবাদ জানিয়েছে।