জামালপুর-৪ আসনের এমপি ফরিদুল কবির তালুকদারকে মন্ত্রিত্বের দাবি
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমকে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ। সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা ও গুঞ্জন শুরু হওয়ায় এই দাবি এখন সরিষাবাড়ীর আকাশে-বাতাসে জোরালো হয়ে উঠেছে।স্থানীয়দের মতে, দাদা প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্য (এমপিএ) রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার এবং চাচা বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও প্রয়াত এলজিআরডি মন্ত্রী আব্দুস সালাম তালুকদারের পর ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমই এই জনপদের যোগ্য উত্তরসূরী।রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের রাজনীতির হাতেখড়ি শৈশবেই। ছাত্রজীবনে তিনি সরিষাবাড়ী রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি সরিষাবাড়ী পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান এবং টানা তিনবার মেয়র হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। এমনকি প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে বারবার জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হওয়া এই নেতাকে বর্তমানে জামালপুর জেলা বিএনপির 'ঐক্যের প্রতীক' বলা হয়। দলের দুঃসময়েও তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্য সুদৃঢ় রেখেছেন।ঐতিহাসিকভাবেই সরিষাবাড়ীর এই তালুকদার পরিবার থেকে ইতিপূর্বে তিনবার মন্ত্রিত্ব পেয়েছে এলাকাবাসী।ফরিদুল কবির তালুকদারের চাচা আব্দুস সালাম তালুকদার রাষ্ট্রপতি জিয়ার সরকারে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং পরবর্তীতে বেগম জিয়ার সরকারে এলজিআরডি মন্ত্রী ছিলেন।তাঁর বড় ভাই মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল কবির তালুকদার শাহজাদা প্রথমে অর্থ ও পরিকল্পনা এবং পরে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত সরিষাবাড়ী জামালপুর জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন। প্রায় প্রতিটি সরকারের আমলেই এখানে মন্ত্রিত্বের ছোঁয়া লেগেছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবং যোগ্যতার বিচারে শামীম তালুকদারকে মন্ত্রী করা এখন সময়ের দাবি।গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম পোস্টাল ব্যালটসহ উপজেলার ৮৯টি ভোটকেন্দ্রের সবকটিতেই বিজয়ী হয়ে এক নজিরবিহীন ইতিহাস গড়েন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে তাঁর ভোটের ব্যবধান ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৪৫৯ ভোট—যা শুধু জেলাই নয়, বরং বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগেই অন্যতম বৃহত্তম ব্যবধান। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই বিপুল জনসমর্থন এবং তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মূল্যায়ন করে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরিষাবাড়ীবাসীকে বঞ্চিত করবেন না।সরিষাবাড়ী কলেজের প্রভাষক খায়রুল আলম শ্যামল বলেন:"প্রায় ৫ লাখ মানুষের এই জনপদ যমুনা সার কারখানাসহ পাট-শিল্পের জন্য বিখ্যাত। বিগত সরকারের অদক্ষতায় এই গৌরব এখন হারানোর পথে। হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে আমরা ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।"উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান বাবু এবং সাবেক ছাত্রনেতা হাফিজুর রহমান মিলন, খোরশেদ আলম তালুকদার চয়ন ও মাসুম আহমেদ বলেন, "যোগ্যতা, দক্ষতা ও বিচক্ষণতার অপর নাম শামীম তালুকদার। প্রতিকূল পরিবেশেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পেলে চরাঞ্চলসহ অবহেলিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও দেশের স্বাস্থ্য-শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।"এই দাবির প্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম বলেন, “ভোটাররা আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি সরিষাবাড়ীকে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির গুঞ্জন নিয়ে তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান যদি আমাকে বড় কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেন, তবে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও জনকল্যাণে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাবো।”জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমকে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ। সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা ও গুঞ্জন শুরু হওয়ায় এই দাবি এখন সরিষাবাড়ীর আকাশে-বাতাসে জোরালো হয়ে উঠেছে।স্থানীয়দের মতে, দাদা প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্য (এমপিএ) রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার এবং চাচা বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও প্রয়াত এলজিআরডি মন্ত্রী আব্দুস সালাম তালুকদারের পর ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমই এই জনপদের যোগ্য উত্তরসূরী।রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের রাজনীতির হাতেখড়ি শৈশবেই। ছাত্রজীবনে তিনি সরিষাবাড়ী রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি সরিষাবাড়ী পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান এবং টানা তিনবার মেয়র হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। এমনকি প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে বারবার জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হওয়া এই নেতাকে বর্তমানে জামালপুর জেলা বিএনপির 'ঐক্যের প্রতীক' বলা হয়। দলের দুঃসময়েও তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্য সুদৃঢ় রেখেছেন।ঐতিহাসিকভাবেই সরিষাবাড়ীর এই তালুকদার পরিবার থেকে ইতিপূর্বে তিনবার মন্ত্রিত্ব পেয়েছে এলাকাবাসী।ফরিদুল কবির তালুকদারের চাচা আব্দুস সালাম তালুকদার রাষ্ট্রপতি জিয়ার সরকারে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং পরবর্তীতে বেগম জিয়ার সরকারে এলজিআরডি মন্ত্রী ছিলেন।তাঁর বড় ভাই মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল কবির তালুকদার শাহজাদা প্রথমে অর্থ ও পরিকল্পনা এবং পরে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত সরিষাবাড়ী জামালপুর জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন। প্রায় প্রতিটি সরকারের আমলেই এখানে মন্ত্রিত্বের ছোঁয়া লেগেছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবং যোগ্যতার বিচারে শামীম তালুকদারকে মন্ত্রী করা এখন সময়ের দাবি।গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম পোস্টাল ব্যালটসহ উপজেলার ৮৯টি ভোটকেন্দ্রের সবকটিতেই বিজয়ী হয়ে এক নজিরবিহীন ইতিহাস গড়েন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে তাঁর ভোটের ব্যবধান ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৪৫৯ ভোট—যা শুধু জেলাই নয়, বরং বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগেই অন্যতম বৃহত্তম ব্যবধান। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই বিপুল জনসমর্থন এবং তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মূল্যায়ন করে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরিষাবাড়ীবাসীকে বঞ্চিত করবেন না।সরিষাবাড়ী কলেজের প্রভাষক খায়রুল আলম শ্যামল বলেন, প্রায় ৫ লাখ মানুষের এই জনপদ যমুনা সার কারখানাসহ পাট-শিল্পের জন্য বিখ্যাত। বিগত সরকারের অদক্ষতায় এই গৌরব এখন হারানোর পথে। হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে আমরা ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান বাবু এবং সাবেক ছাত্রনেতা হাফিজুর রহমান মিলন, খোরশেদ আলম তালুকদার চয়ন ও মাসুম আহমেদ বলেন, "যোগ্যতা, দক্ষতা ও বিচক্ষণতার অপর নাম শামীম তালুকদার। প্রতিকূল পরিবেশেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পেলে চরাঞ্চলসহ অবহেলিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও দেশের স্বাস্থ্য-শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।"এই দাবির প্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম বলেন, “ভোটাররা আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি সরিষাবাড়ীকে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির গুঞ্জন নিয়ে তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান যদি আমাকে বড় কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেন, তবে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও জনকল্যাণে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাবো।”