নেত্রকোণার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় কম্বল, থামি কাপড় ও কয়লাসহ ২ লাখ ৮০ হাজার ৭০০ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাই পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
জব্দকৃত এসব মালামালের মধ্যে রয়েছে ৪৪ পিস ভারতীয় কম্বল, ২৩ পিস থামি কাপড়, ৪৮০ কেজি ভারতীয় কয়লা ও ২৫০ কেজি বাংলাদেশি রসুন। চোরাই পথে এসব পণ্য এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো।
আজ সোমবার (২ নভেম্বর) নেত্রকোণা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল তৌহিদুল বারী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি জানায়, গতকাল রবিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যাটালিয়নের অধীন বিজয়পুর, মহিষখোলা ও লেংগুড়া বিওপির টহল দল পৃথক ছয়টি অভিযান পরিচালনা করে। নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় পণ্যগুলো জব্দ করা হয়।
বিজিবি আরো জানায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিজয়পুর বিওপির টহল দল সীমান্ত পিলার ১১৫০ এমপি থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পশ্চিম বিজয়পুর এলাকা থেকে ১০টি ভারতীয় কম্বল জব্দ করে। একই বিওপির টহল দল বিকেল ৪টার দিকে জংখল এলাকা থেকে ২৫০ কেজি বাংলাদেশি রসুন এবং রাত পৌনে ১২টার দিকে প্রেমবাজার এলাকা থেকে আরও ৩০টি ভারতীয় কম্বল জব্দ করে।
এদিকে একই দিন মহিষখোলা বিওপির টহল দল দুপুর ২টার দিকে নকলাই এলাকা থেকে ২৩ পিস ভারতীয় থামি কাপড় এবং বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একই এলাকা থেকে ৪৮০ কেজি ভারতীয় কয়লা জব্দ করে। এছাড়া সন্ধ্যা ৭টার দিকে লেংগুড়া বিওপির টহল দল সাত শহীদের মাজার এলাকা থেকে চারটি ভারতীয় কম্বল জব্দ করে।
এসব অভিযানে মালামাল জব্দ করা হলেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বিজিবির অভিযানের খবর পেয়ে চোরাকারবারিরা মালামাল ফেলে আগেই পালিয়ে যায়।
৩১ বিজিবির অধিনায়ক জানান, জব্দ করা মালামালের সিজার মূল্য ২ লাখ ৮০ হাজার ৭০০ টাকা। এসব মালামাল নেত্রকোণা কাস্টমস কার্যালয়ে জমা দেয়া হবে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
নেত্রকোণার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় কম্বল, থামি কাপড় ও কয়লাসহ ২ লাখ ৮০ হাজার ৭০০ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাই পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
জব্দকৃত এসব মালামালের মধ্যে রয়েছে ৪৪ পিস ভারতীয় কম্বল, ২৩ পিস থামি কাপড়, ৪৮০ কেজি ভারতীয় কয়লা ও ২৫০ কেজি বাংলাদেশি রসুন। চোরাই পথে এসব পণ্য এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো।
আজ সোমবার (২ নভেম্বর) নেত্রকোণা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল তৌহিদুল বারী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি জানায়, গতকাল রবিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যাটালিয়নের অধীন বিজয়পুর, মহিষখোলা ও লেংগুড়া বিওপির টহল দল পৃথক ছয়টি অভিযান পরিচালনা করে। নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় পণ্যগুলো জব্দ করা হয়।
বিজিবি আরো জানায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিজয়পুর বিওপির টহল দল সীমান্ত পিলার ১১৫০ এমপি থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পশ্চিম বিজয়পুর এলাকা থেকে ১০টি ভারতীয় কম্বল জব্দ করে। একই বিওপির টহল দল বিকেল ৪টার দিকে জংখল এলাকা থেকে ২৫০ কেজি বাংলাদেশি রসুন এবং রাত পৌনে ১২টার দিকে প্রেমবাজার এলাকা থেকে আরও ৩০টি ভারতীয় কম্বল জব্দ করে।
এদিকে একই দিন মহিষখোলা বিওপির টহল দল দুপুর ২টার দিকে নকলাই এলাকা থেকে ২৩ পিস ভারতীয় থামি কাপড় এবং বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একই এলাকা থেকে ৪৮০ কেজি ভারতীয় কয়লা জব্দ করে। এছাড়া সন্ধ্যা ৭টার দিকে লেংগুড়া বিওপির টহল দল সাত শহীদের মাজার এলাকা থেকে চারটি ভারতীয় কম্বল জব্দ করে।
এসব অভিযানে মালামাল জব্দ করা হলেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বিজিবির অভিযানের খবর পেয়ে চোরাকারবারিরা মালামাল ফেলে আগেই পালিয়ে যায়।
৩১ বিজিবির অধিনায়ক জানান, জব্দ করা মালামালের সিজার মূল্য ২ লাখ ৮০ হাজার ৭০০ টাকা। এসব মালামাল নেত্রকোণা কাস্টমস কার্যালয়ে জমা দেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন