রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর বড় ভাই আনন্দ সূত্রধর।
জানা যায়, চন্দন সূত্রধর বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির একজন যোদ্ধা ছিলেন। তাঁর মাথায় এখনো গুলির অস্ত্রোপচারজনিত ক্ষত বা বুলেটের অংশ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর সহপাঠী ও শিক্ষকরা। চন্দনের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায়। তাঁর বাবা অনীল সূত্রধর এবং মা সন্ধ্যা সূত্রধর।
চন্দনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তাঁর সহপাঠী আজিজুর রহমান বলেন, “ডেঙ্গুতে আমার বন্ধুকে হারাতে হবে, এটা কখনো কল্পনাও করিনি। একজন প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে অকালে চলে যাবে, বিষয়টি মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। তাঁর চলে যাওয়ায় আমরা একজন বন্ধুকে হারিয়েছি, যা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।”
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু এখন আর সাধারণ কোনো বিষয় নয়; এটি ভয়াবহ প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, যাতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে প্রিয়জন হারাতে না হয়।
জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ত্বহা হুসাইন বলেন, “খবরটি শুনে আমি মর্মাহত। হঠাৎ করে তার চলে যাওয়া যেন বিশ্বাস করতে পারছি না। ছেলেটি খুবই ভালো ছিল। সে একজন জুলাই যোদ্ধাও ছিল। মাঝেমধ্যে তার সঙ্গে কথা হতো।”

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর বড় ভাই আনন্দ সূত্রধর।
জানা যায়, চন্দন সূত্রধর বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির একজন যোদ্ধা ছিলেন। তাঁর মাথায় এখনো গুলির অস্ত্রোপচারজনিত ক্ষত বা বুলেটের অংশ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর সহপাঠী ও শিক্ষকরা। চন্দনের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায়। তাঁর বাবা অনীল সূত্রধর এবং মা সন্ধ্যা সূত্রধর।
চন্দনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তাঁর সহপাঠী আজিজুর রহমান বলেন, “ডেঙ্গুতে আমার বন্ধুকে হারাতে হবে, এটা কখনো কল্পনাও করিনি। একজন প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে অকালে চলে যাবে, বিষয়টি মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। তাঁর চলে যাওয়ায় আমরা একজন বন্ধুকে হারিয়েছি, যা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।”
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু এখন আর সাধারণ কোনো বিষয় নয়; এটি ভয়াবহ প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, যাতে আর কোনো পরিবারকে এভাবে প্রিয়জন হারাতে না হয়।
জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ত্বহা হুসাইন বলেন, “খবরটি শুনে আমি মর্মাহত। হঠাৎ করে তার চলে যাওয়া যেন বিশ্বাস করতে পারছি না। ছেলেটি খুবই ভালো ছিল। সে একজন জুলাই যোদ্ধাও ছিল। মাঝেমধ্যে তার সঙ্গে কথা হতো।”

আপনার মতামত লিখুন